প্রতিবছরের মতো এবারও ১৮ অক্টোবর আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় দোয়া মাহফিল ও মিলাদ। রাজধানীর মগবাজারের সেলিব্রেশন কমিউনিটি পয়েন্টে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আয়োজনটি করে আইয়ুব বাচ্চুর বন্ধুমহল, আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন এবং চট্টগ্রাম মিউজিশিয়ানস ক্লাব।
এবারের আয়োজনে আইয়ুব বাচ্চু ভক্তরা পেলো দারুণ এক সুখবর। খবরটি জানালেন আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। তিনি ঘোষণা দেন, রাজধানীর মগবাজারে গড়ে উঠছে ‘আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম অ্যান্ড কালচারাল হাব’।
প্রায় ১০ কাঠা জায়গাজুড়ে নির্মিত হতে যাওয়া এই মিউজিয়ামে সংরক্ষিত থাকবে আইয়ুব বাচ্চুর জীবন, সংগীত এবং শিল্পভুবনের অজস্র স্মৃতি ও সম্পদ। ফেরদৌস আক্তার বলেন, ‘আমরা চাই, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কাছ থেকে জানতে পারে আইয়ুব বাচ্চুর জীবন, তার সংগ্রাম ও সৃষ্টির গল্প। এ জন্যই এই মিউজিয়াম তৈরি হচ্ছে। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।’
মিউজিয়ামে থাকছে ‘এবি কিচেন’-এর আদলে একটি রেকর্ডিং স্টুডিও। প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মিউজিয়ামের পাশাপাশি থাকবে একটি মিউজিক্যাল ক্যাফে, মিলনায়তন এবং নতুন শিল্পীদের জন্য উন্মুক্ত স্টুডিও। তরুণ সংগীতপ্রেমীরা সেখানে এসে শুধু আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও সংগীতই নয়, বরং তার আদর্শ ও দর্শন থেকেও অনুপ্রেরণা নিতে পারবেন।
ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, মিউজিয়ামের প্রতিটি অংশে সাজানো হবে আইয়ুব বাচ্চুর সংগীতযাত্রার ধাপগুলো– চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আগমন, ‘এলআরবি’র উত্থান, জনপ্রিয় অ্যালবামগুলোর ইতিহাস এবং দেশ-বিদেশের কনসার্টের নানা স্মৃতি দিয়ে।
তবে এই মিউজিয়াম কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে, সেটি জানা যায়নি।