১১ বছর পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো আপেল

১১ বছর পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো আপেল

ফল আমদানির ক্ষেত্রে ট্রাকের চাকা অনুযায়ী শুল্কায়ন প্রথা চালু থাকায় দীর্ঘ ১১ বছর বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আপেল আমদানি শুরু হয়েছে। এদিকে দীর্ঘদিন পর বন্দর দিয়ে ফল আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরে কর্মরত শ্রমিক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের মধ্যে কর্মচাঞ্চ্যলতা ফিরতে শুরু করেছে।

রবিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় ভারত থেকে আমদানি আপেল বোঝাই ট্রাক বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন বন্ধের পর পুনরায় ফল আমদানি শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রামের খাজা আজমির ট্রেডিং নামের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ২৫ টন আপেল আমদানি করেছে। এগুলো ভারতের মালদার ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ নামের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান পাঠিয়েছে। বন্দরে আমদানি করা আপেল খালাসের জন্য কাস্টমসে বিলঅবএন্ট্রি সাবমিট থেকে শুরু করে পণ্যের পরীক্ষণ শুল্কায়ন কার্যক্রম চালানোর জন্য আমদানিকারক মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ যেসব প্রক্রিয়া রয়েছে সেগুলো সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এক ট্রাক ফল আমদানি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও আমদানিকারক এই আপেল খালাসের জন্য সার্টিফিকেট গ্রহনের সপক্ষে আমাদের কাছে আবেদন করেনি। যদি তারা আবেদন করে তাহলে পণ্য পরীক্ষা করে দ্রুত সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। এরপরে তারা কাস্টমসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বন্দর থেকে খালাস নিতে পারবে।

প্রসঙ্গত, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আগে প্রতিদিন কমলা, আপেল, কেনু, আঙুর, আনারসহ বিভিন্ন ধরনের তাজা ফল ৩৫ থেকে ৪০ ট্রাক করে আমদানি হতো। কিন্তু গত ২০১৪ সালের মে মাসে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে ফল আমদানি করার বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের প্রতিবেদনের পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানির ক্ষেত্রে গাড়ির চাকা অনুযায়ী ৬ চাকার গাড়িতে ১৪ টন, ১০ চাকার গাড়িতে ১৮ টন ও ১২ চাকার গাড়িতে ২০ টন পণ্যের শুল্কায়ন করার আদেশ দেয়। এর ফলে এ বন্দর দিয়ে সব ধরনের ফল আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin