৭ কলেজের প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মন্ত্রণালয় ‘সংবেদনশীল’

৭ কলেজের প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মন্ত্রণালয় ‘সংবেদনশীল’

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়িত হলে ৭ কলেজের শিক্ষকগণের পদ সংরক্ষণ, কলেজের স্বাতন্ত্র্য, সম্পদের ব্যবস্থাপনা এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাপনাসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ সচেতন ও সংবেদনশীল বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের খসড়া বিষয় সর্বসাধারণের মতামত আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ ও সুধীজনের কাছ থেকে ছয় হাজারেরও অধিক বিভিন্নধর্মী মতামত পাওয়া গেছে। গঠনমূলক পরামর্শের পাশাপাশি কতিপয় বিষয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ প্রত্যেকের মতামত ও উদ্বেগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশ নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠিয়েছে। উক্ত খসড়া বিষয়েই মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বিষয়টির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের পরিধি ও বিভিন্নতা বিবেচনায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠভাবে, বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া ও ধাপসমূহ অনুসরণ করে অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্তকরণের কাজ পরিচালনা করছে। এই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হলেও এর মাধ্যমে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে বিশ্বাস করা হচ্ছে।

অনলাইনে ও সরাসরি প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রত্যক্ষ মতবিনিময় সভায় প্রাপ্ত মতামতসমূহ খসড়া প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক নির্বিশেষে সকল অংশীজনের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট পথনকশার ভিত্তিতে কাজ করছে। এই প্রক্রিয়ায় কর্মরত শিক্ষকগণের পদ সংরক্ষণ, কলেজের স্বাতন্ত্র্য, সম্পদের ব্যবস্থাপনা এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনাসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ সচেতন ও সংবেদনশীল।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ প্রত্যাশা করছে, ব্যক্তিগত ধারণা বা অসমর্থিত তথ্যের ভিত্তিতে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব এড়িয়ে সকলেই দায়িত্বশীল আচরণ করবেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে কোনোভাবে ব্যাহত করবেন না। মানসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।

এমআইএইচ/এমজে

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin