কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণার মধ্যে সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর অন্তত চারটি জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের পর সন্ধ্যা আরও দুইটি জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।
সোমবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতার ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
রাত পৌনে আটটার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় শাহআলী মার্কেটের সামনে আরও তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
বেতার ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হক।
তিনি বলেন, “বেতার ভবনের প্রধান ফটকের সামনে কে বা কারা একটি ককটেল ছুঁড়ে মারলে সেটি বিস্ফোরিত হয়। তবে কেউ হতাহত হননি।”
পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ভিডিও দেখে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করছে বলে জানান ওসি।
শাহ আলী মার্কেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরপুর মডেল থানার ওসি সাজ্জাদ রোমান বলেন, “এটা কাফরুল থানা এলাকার ঘটনা।” তবে কাফরুল থানার ওসিকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
এর আগে ভোর পৌনে ৪টার দিকে মিরপুর গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা ছুঁড়ে পালিয়ে যায় দুই দুর্বৃত্ত।
এরপর মোহাম্মদপুরে স্যার সৈয়দ রোডে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের খাদ্যপণ্যের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ‘প্রবর্তনা’র সামনে ও সীমানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে।
এছাড়া, ধানমন্ডির ২৭ নম্বরে রাপা প্লাজার কাছে মাইডাস সেন্টারের সামনে এবং ধানমন্ডি ৯/এ ইবনেসিনা হাসপাতালের সামনে সকাল ৭টার দিকে ককটেল ফাটানো হয়।
এছাড়া সারা দিনে রাজধানীতে অন্তত তিনটি বাস পোড়ানো হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ধানমন্ডিতে ল্যাব এইড হাসপাতালের সামনের সড়কে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে আগুন দেওয়া হয়।
এছাড়াও, সকালে শাহজাদপুরে ভিক্টর পরিবহন এবং মেরুল বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির কাছে আকাশ পরিবহনের বাসে আগুন দেওয়া হয় বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।