‘ক্যাফে’তে বিশেষ কিছু একটা আছে, যা একটি অতি সাধারণ দিনকেও গল্পে পরিণত করে। সময় যেন থমকে যায়, কণ্ঠস্বর নিচু হয়ে আসে আর প্রতিটি টেবিল বলতে থাকে তাদের নিজেদের গল্প। কারও প্রথম দেখা, কারও শেষ বিদায়। কেউ আবার চুপচাপ বোঝার চেষ্টা করছে, নীরবতা আসলে কী। মানুষ আসে, আবার চলেও যায়, তবু কি যেন সবসময় থেকে যায়। ছেঁড়া পাতার স্মৃতির মতো, কফির কাপে হাসির ঝলকানির মতো।
এই অনন্ত নীরবতার মাঝেই জন্ম নিয়েছিল ‘ক্যাফে’। তানজির তুহিনের মনের গহীনে নাড়া দেওয়া কণ্ঠ আর শুভেন্দুর হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া সুরে প্রাণ পেয়েছে গানটি। এর সঙ্গে গাবুর ছন্দের ঐতিহ্য ও অ্যাকর্ডিয়নে তোলা লিভিয়ার জাদুকরী মেলোডি—সব মিলিয়ে এ যেন এক অনন্য সংগীতযাত্রা। যার শেকড় গাঁথা এডি পালমেরি ও মহীনের ঘোড়াগুলির সুরেলা গল্পে। এটি বাংলা ও লাতিন জ্যাজের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ—যেখানে শ্রোতারা খুঁজে পাচ্ছে স্বস্তি।কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের সপ্তম গান হিসেবে মুক্তি পেয়েছে ‘ক্যাফে’। শুভেন্দু দাস শুভর সংগীতায়োজনে, এই গানে স্থান পেয়েছে এফ্রো-কিউবান জ্যাজ, লাতিন সালসা ও বাংলা পঙক্তি। গানটি পরিবেশন করেছেন আভাস ব্যান্ডের তানজির চৌধুরী তুহিন, ব্রাজিলিয়ান শিল্পী লিভিয়া মাতোস ও গৌরব চ্যাটার্জি।
শুভেন্দু দাস মনে করেন, একাধিক সংস্কৃতির মিশ্রণে তারা সবাই মিলে সৃষ্টি করেছেন প্রাণবন্ত এক সংগীত, যেখানে উদযাপিত হয়েছে ঐতিহ্য, আবেগ ও বৈশ্বিক সুরের মেলবন্ধন।