বাংলাদেশ দলের নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তবে শুরুর একাদশে নাম থাকে না তার। বিরতির পর বেশিরভাগ সময় দেখা যায় তাকে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। যেখানে জামাল নিজেই আজ সোমবার হংকংয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, দলের সবাই খেলতে চায়। মাঠে খেলার জন্য নিজেও কোচদের কাছে মতামত দেন।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে কাই তাক স্পোর্টস পার্ক স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যার ৫০ হাজার টিকিট বিক্রির শেষ পর্যায়ে। স্বাগতিক দর্শকদের চাপ থাকবে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই চাপ আমলে নিচ্ছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। জামাল ভূঁইয়া বলেছেন, ‘সবসময় ভালো লাগে যখন দর্শকরা আমাদের উৎসাহ দেয়। আমি জানি আগামীকাল টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যাবে, তবে কিছু দর্শক বাংলাদেশ থেকেও থাকবে, আমরা সেটা খুবই প্রশংসা করি। ম্যাচ শুরুর আগে দর্শকদের উপস্থিতি অনুভব করা যায়, কিন্তু খেলা চলাকালীন আপনি সেটা তেমন অনুভব করেন না, কারণ তখন অ্যাড্রেনালিন এত বেশি থাকে যে আপনি পুরোপুরি খেলায় মনোযোগী থাকেন। তবে ম্যাচ শেষে চারপাশে তাকালে অনেক মানুষ দেখতে পাবেন। এটা অবশ্যই খুব ভালো লাগে, বিশেষ করে আমাদের মতো খেলোয়াড়দের জন্য যারা এই ম্যাচ খেলবে।’
নিজেদের কাজটা ভালোই জানেন ৩৫ বছর বয়সী মিডফিল্ডার। বললেন, ‘আমাদের কাজ হলো আগামীকাল তিন পয়েন্ট অর্জন করা। আমার মনে হয় না খুব ঠান্ডা থাকবে—হয়তো ২১ বা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই আবহাওয়া খেলোয়াড়দের জন্য একদম উপযুক্ত। আর হংকং তো তাদের দলের জন্য সেরা সুযোগ-সুবিধা দিতে চাইবে, আমরাও তার সুফল পাবো। আমরা সাধারণত অনেক বেশি গরমে খেলি, তবে আমরা এই আবহাওয়ায় মানিয়ে নিতে পারবো।’
একাদশ সাজাতে নিজের মতামত দেন জামাল। তার পরেও সেখানে একটা কিন্তু থাকে। জামালের কথা, ‘কে খেলবে, কে খেলবে না—এটা কোচদের সিদ্ধান্ত। স্কোয়াডে ২৩ জন খেলোয়াড় আছে, সবাই খেলতে চায়। দিন শেষে সিদ্ধান্ত তাদেরই। এছাড়া দল গঠনে অবশ্যই আমার আলাদা মতামত আছে, তবে সেটা আমি আপনার সঙ্গে ভাগ করবো না—তবে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।’