বিইউপির ছাত্রীকে ধর্ষণ: ‘ধর্ষকের সহযোগী’ মিঠু রিমান্ডে

বিইউপির ছাত্রীকে ধর্ষণ: ‘ধর্ষকের সহযোগী’ মিঠু রিমান্ডে

সাভারে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এক ছাত্রীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ধর্ষকের সহযোগী মিঠু বিশ্বাসকে (৩৫) জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ এ আদেশ দেন।

এ দিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। সাভার থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আব্দুল ওয়াহাব সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে তিনি বলেন, ‘এ আসামি ধর্ষণের সহায়তা করেন। তাকে অন্য আসামিদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে এড়িয়ে যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অন্যদের ধরা যাবে। ধরতে না পারলে এলাকায় ধর্মীয় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের ৭ দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফরিদ উদ্দিন রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদনে করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, ‘মাননীয় আদালত মামলাটা দেখবেন, ফরোয়ার্ডিং টা দেখবেন। মামলার অভিযোগের সঙ্গে ফরোয়ার্ডিংয়ের মিল নেই। এ মামলার সঙ্গে আসামির কোনও সংযোগ নেই। রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করছি।’

উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে বিচারক ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার ভোর আড়াইটার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও থানার তেজকুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিঠু বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে সাভার মডেল থানার পুলিশ। মিঠু বিশ্বাস সাভারের কমলাপুর গোয়ালিও এলাকার বাসিন্দা।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাভারের একই এলাকার সোহেল রোজারিও (৩৭), বিপ্লব রোজারিও (৪০)। সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং বিপ্লব-মিঠুর বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ বলা হয়েছে, গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী তরুণী প্রাইভেট পড়ানোর পর সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের নিজ বাসায় ফেরেন। কিন্তু এ সময় তিনি বাসা তালাবদ্ধ পান। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার মা বাসায় তালা দিয়ে পাশের এক চা দোকানির কাছে চাবি রেখে গেছেন। পরে তিনি দোকান থেকে চাবি নিয়ে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন। ফেরার পথে সোহেল রোজারিও তরুণীকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিছুদূর যাওয়ার পর সোহেলের সঙ্গে অন্য দুই আসামির দেখা হয়। এরপর তারা ওই তরুণীকে অনুসরণ করতে থাকেন এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করতে থাকেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসামির বাসায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন সোহেল। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেন অন্য দুই আসামি। ধর্ষণের পর সোহেল ঘটনা কাউকে জানালে ‘হত্যার হুমকি’ দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন ভুক্তভোগী তরুণী।

Comments

0 total

Be the first to comment.

জুলাইয়ের মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে চাঁদাবাজি, ৩ সমন্বয়ক কারাগারে BanglaTribune | অন্যান্য

জুলাইয়ের মামলা থেকে বাঁচানোর কথা বলে চাঁদাবাজি, ৩ সমন্বয়ক কারাগারে

জুলাই আন্দোলনের মামলা থেকে অব্যাহতির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং সাড়ে পাঁ...

Sep 12, 2025

More from this User

View all posts by admin