বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) অন্যরকম এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ হয়ে গেলো। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ নারী ফুটবল একাডেমি এবং চীন বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ফুটবল উইনাইটেড দলে এতে মুখোমুখি হয়।
শাহেদ আক্তার রিপা ও প্রীতিদের নিয়ে বন্ধুত্বের ম্যাচে বাংলাদেশ ৩-০ গোলে হেরেছে। তবে ম্যাচের ফল ছাড়িয়ে বন্ধুত্ব ও কূটনীতিই ছিল বড় বিষয়।
ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, ‘চীন ও বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গণে একসঙ্গে কাজ করবে। ক্রিকেটে বাংলাদেশ চীনকে এবং ফুটবল ও উশুতে চীন বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে। দুই দেশের মধ্যকার ক্রীড়া বিনিময় অব্যাহত থাকবে।’
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘ফুটবল একটা ডিপ্লোমেসি, ফুটবল একটা বন্ধুত্বের জায়গা। সেটা বাফুফে আজ প্রমাণ করেছে। দুই দেশের মানুষ ও বন্ধুত্ব এগিয়ে নিতে আজ একটি ম্যাচ আয়োজন হয়েছে।’
চীন বাংলাদেশে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। তাই বাফুফে সভাপতির প্রত্যাশা রেখে বলেন, ‘চীনের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। স্টেডিয়াম অবকাঠামো, ফিজিও সেন্টার বা ট্রমা সেন্টার যেখানে ফুটবলার ইনজুরি বা আঘাত পেলে ভালো পুর্নবাসন হয়। পাশাপাশি ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট এক্সচেঞ্জ। যা রাষ্ট্রদূত মহোদয়ও বলেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি সামনে তিনটি বিষয়ে একটি পরিপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাতে পারবো। চাইনিজ ফুটবল ফেডারেশন, চাইনিজ অ্যাম্বাসি ও চাইনিজ ডেভলপমেন্ট অথরিটির সঙ্গে আলোচনা করে বাফুফে একটি উন্নয়নমূলক কাজ করবে। আমরা তাদের কাছ থেকে এই সহায়তা যেমন প্রত্যাশা করি, তেমনি তাদের জন্য এ রকম ম্যাচ আয়োজন করে ইয়ুথ ফুটবলারদের এক্সপোজার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবো।’
নারীদের এশিয়ান কাপে চীনের গ্রুপে বাংলাদেশ। বাফুফে সভাপতি তাই বলেছেন, ‘নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে এশিয়া কাপে চীন আমাদের গ্রুপেই পড়েছে। আমরা মনোবল হারাচ্ছি না। এই সপ্তাহ থেকে মিশন অস্ট্রেলিয়া প্র্যাকটিস শুরু হচ্ছে। আমাদের অ-২০ দল এশিয়ান কাপে কোয়ালিফাই করেছে। সামনে অ-১৭ দল জর্ডানে এশিয়ান কাপে যাবে। আশা করি তারাও ভালো কিছু করবে।’