ডিআইজি-মেজর-সচিব পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৯

ডিআইজি-মেজর-সচিব পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৯

নাটোর: পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), কখনও সেনা কর্মকর্তা, মেজর এবং সচিব পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩৫টি মোবাইলফোন ও পাঁচটি অতিরিক্ত সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নাটোরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ও দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর প্রায় দুই শতাধিক সদস্য অংশ নেয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মোসাব্বর হোসেনের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (৩০), বাবুল সরকারের ছেলে সোহাগ আলী (২৮), শাজাহান আলীর ছেলে ওবায়দুর আলী (২৪), ফজলুর রহমানের ছেলে রাসেল আহমেদ (২০), মোহরকয়া গ্রামের আজগর মণ্ডলের ছেলে এখলাছ মণ্ডল (২৩), জটু সরদারের ছেলে রুবেল সরদার (২৫), শরিফুল ইসলামের ছেলে মোহন আহমেদ (১৭), নাগশোষা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মারুফ হোসেন (২৩) এবং টুটুল আলী (১৬)।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, লালপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোবাইলফোন ও ইমো হ্যাকারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ডিআইজি, কখনও সেনা কর্মকর্তা, মেজর এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। গোয়েন্দা সংস্থা অনেক দিন ধরে তাদের নজরদারিতে রাখে। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে দুই শতাধিক যৌথবাহিনীর সদস্যদের অভিযানে ওই চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩৫টি মোবাইলফোন ও পাঁচটি সিমকার্ড জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদা শারমিন নেলি এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক) হাসিবুল্লাহ হাসিব প্রমুখ।

এসআরএস

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin