গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা বহিষ্কার

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা বহিষ্কার

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ছয় কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তারা দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, ফৌজদারি ও বিভাগীয় মামলা থাকাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত। এর মধ্যে তিন কর্মকর্তাকে স্থায়ী ও ৩ কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হয়।

বুধবার (১২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক বহিষ্কারাদেশে ওই ছয় কর্মকর্তার বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কৃত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্টার (স্টোর) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিকাইল ইসলাম ও সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার ডা. অভিষেক বিশ্বাস।

উপ-রেজিস্টার ফারজানা ইসলাম তনী, নজরুল ইসলাম হিরা ও উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস) তুহিন মাহমুদকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮ সালের আইনের ২ (চ) ধারার ৪ এর উপধারা ৫ (ঘ) এ শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ ও রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরকে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে স্থায়ী ও অস্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বহিষ্কার পত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার (স্টোর) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ছাড়া উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মিকাইল ইসলাম চলতি বছরের ১৪ মার্চ থেকে, সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার ডা. অভিষেক বিশ্বাস ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে, উপ-রেজিস্টার ফারজানা ইসলাম গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর থেকে ও উপ-রেজিস্টার নজরুল ইসলাম গত বছরের ১১ অক্টোবর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অনুপস্থিতির তারিখ থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin