আরেকটি নিউজিল্যান্ড–ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। শেষ ওভারে আরেকটি টানটান উত্তেজনার মুহূর্ত। কিন্তু এবারও ব্যর্থ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তাদের ক্যারিবীয়দের ৩ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক দল।
দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সবকিছু ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ছিল। বৃষ্টির কারণে ইনিংস কমে আসে ৩৪ ওভারে। সেই সংক্ষিপ্ত ম্যাচেও শাই হোপের ৬৯ বলে অপরাজিত ১০৯ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪৭ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের ম্যাচসেরা ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও ৪টি ছক্কা।
এমন স্কোরে জয়ের স্বপ্নই দেখছিল সফরকারীরা। এক পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ১৯৪। তখন ২৯ বলে প্রয়োজন ৫৪ রান। কিন্তু এই সিরিজে বারবার যেটা দেখা গেছে, আবারও মিচেল স্যান্টনার এগিয়ে এসে ম্যাচটিকে নিজের মুঠোয় নিয়ে নেন।
শেষ ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল ৪০। তখন ফোর্ডের ৩২তম ওভারে স্যান্টনারের কল্যাণে আসে ১৮ রান। পরের ওভারে শামার স্প্রিংগারকে মারেন চার ও ছয়। শেষ ওভারে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৮ রান। তখনও টান টান উত্তেজনা। কিন্তু জেইডেন সিলসের একটি নো বল যেন সব আশা শেষ করে দেয়। সেই বলটিতে টম ল্যাথাম নেন চারটি রান। এরপর দারুণ শটে ম্যাচ জেতানো রান তুলে নেন স্যান্টনার। তিনি ১৫ বলে উপহার দেন ৩৪ রানের ক্যামিও ইনিংস। তাতে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছয়। সঙ্গী ল্যাথামও ২৯ বলে ৪ চার ও ১ছক্কায় উপহার দেন ৩৯ রানের অপরাজিত ইনিংস। তাতে পাঁচ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে কিউইরা।
শুরুতে কিউইদের জয়ের মঞ্চটা গড়েছেন ওপেনার ডেভন কনওয়ে। রাচিন রবীন্দ্রকে নিয়ে শুরুর জুটিতে ১০৬ রান যোগ করেন তিনি। রাচিন ৪৬ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ফেরেন ৫৬ রানে। দারুণ খেলতে থাকা কনওয়ে ৯০ রানে আউট হন। তার ৮৪ বলের ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও ১টি ছয়।
কিউইদের হয়ে বল হাতে ৪২ রানে ৪টি উইকেট নিয়েছেন নাথান স্মিথ। ৪৪ রানে ৩টি নেন কাইল জেমিসন।