ফিলিস্তিন সম্প্রতি জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বলে জানিয়েছে ঢাকার ফিলিস্তিন দুতাবাস। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক প্রতিক্রিয়ায় এ তথ্য জানানো হয়। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন (সিওআই)। এই গণহত্যায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুসহ অন্য নেতারা উসকানি দিয়েছেন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে তদন্ত কমিশন বলেছে— গণহারে মানুষকে হত্যা, ত্রাণ প্রবেশে অবরোধ, জোর করে মানুষকে স্থানচ্যুত করা এবং শিশুদের ক্লিনিক ধ্বংসের বিষয়টিকে তারা বিবেচনায় নিয়েছেন। এতে দেখা গেছে, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে।
দূতাবাস জানায়, প্রতিবেদনে জাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন ‘‘ইসরায়েল অপ্রচলিত অস্ত্র ব্যবহার করে বোমা হামলা চালাচ্ছে এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এটি গাজার অবশিষ্ট শেষ অংশ, যা জাতিগত নির্মূলের আগে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’
দূতাবাস বলছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন, মানবিক নীতি এবং ফিলিস্তিনি জনগণের মৌলিক অধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন। জাতিসংঘকে অবশ্যই দ্রুত এই হামলা বন্ধ করতে, বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করতে, আরও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি প্রতিরোধ করতে এবং এর জন্য দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করতে হবে। এমন শান্তি অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অস্বীকারযোগ্য অধিকার অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে— তাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণের অধিকার, ১৯৬৭ সালে দখলকৃত ভূমিতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার এবং পূর্ব জেরুজালেমকে তার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করার অধিকার।