জিয়ার পথ ধরে জাতিসংঘে ইউনূস, স্বার্থ-উদ্দেশ্য নিয়ে কৌতূহল

জিয়ার পথ ধরে জাতিসংঘে ইউনূস, স্বার্থ-উদ্দেশ্য নিয়ে কৌতূহল

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ত্যাগ করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় দুই সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র সফরে তার সঙ্গী হচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তারেক রহমানের পররাষ্ট্র-বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। প্রায় ৪৫ বছর পর কোনও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন ক্ষমতার বাইরে থাকা রাজনীতিকরা; যা ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতূহল, প্রশ্ন। নেতাদের অনেকের ভাষ্য, বিরল এই সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে রয়েছে নানা রহস্য।

গত দুই দিন বাংলা ট্রিবিউন দেশের অন্তত ১০ জন সিনিয়র রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে এই সফর নিয়ে কথা বলে। তারা বলছেন, এই সফরকে কেন্দ্র করে দুটি দিক রয়েছে। একটি ‘দৃশ্যমান’, অন্যটি ‘রহস্যাবৃত’।

চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ‘যাদের হাত ধরে আগামী বছর গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হবে বাংলাদেশে, তাদের বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতেই প্রধান উপদেষ্টার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের বহরে সফরসঙ্গী করা হয়েছে’ বললেও পেছনে রহস্য রয়েছে বলেই মনে করছেন নেতারা।

কোনও কোনও নেতা এও উল্লেখ করেন যে, এই সফরের নেপথ্যে গূঢ় রহস্য রয়েছে, যাকে কেন্দ্র করে তিন দলের প্রভাবশালী চার নেতা যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনা, মিয়ানমারের সঙ্গে করিডর প্রসঙ্গসহ দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব ও ভূরাজনীতি নিয়ে নানা কৌশল সম্পর্কে দেশের তিন দলের নেতাদের একটি অবস্থানে আনার চেষ্টার অংশ হতে পারে এই যাত্রা।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতিসংঘে সফরসঙ্গী হচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি নিরপেক্ষতা দেখানোর চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি সেখানে তিনি এই রাজনীতি দেখাতে চান যে, ‘সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজটি করছি’। এছাড়াও দুটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং আছে। প্রবাসীদের সঙ্গে মিটিং আছে, তিনি সম্ভবত সেখানে চাচ্ছেন আমাদের।” সফর শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের প্রথম দিকে দেশে ফিরবেন বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68cea663aa799" ) );

জিয়াউর রহমানের জাতিসংঘ সফর, কারা ছিলেন সঙ্গী?

বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, ১৯৮০ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র সফরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কয়েকজন রাজনীতিককে সঙ্গী করেছিলেন। কিন্তু সিনিয়র নেতারা নিশ্চিত করে কোনও নাম উল্লেখ করতে পারেননি। এমনকি নানা তথ্য-উপাত্ত খুঁজেও সফরসঙ্গীদের নাম নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তৎকালীন ওই সফর প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জিয়াউর রহমান সরকারের সময় জাতিসংঘ সফরে গিয়েছিলেন কয়েকজন রাজনীতিক। আমার ঠিক স্মরণে নেই এই মুহূর্তে, যদ্দুর মনে পড়ে রাশেদ খান মেনন ছিলেন বোধহয়। ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দিলীপ বড়ুয়া গিয়েছিলেন চীনে।’

তবে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা সাইফুল হক বলছেন, ‘মেনন ভাই সম্ভব না, জাফর আহমদ হতে পারেন।’

সাবেক মন্ত্রী, জাতীয় পার্টি (একাংশ) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দিলীপ বড়ুয়া ও ফরহাদ মজহার চীন সফরে গিয়েছিলেন সম্ভবত খালেদা জিয়ার সঙ্গে। জিয়াউর রহমানের সঙ্গে জাফর আহমদ যাননি, আমার যতদূর মনে হয়।’

রাশেদ খান মেননের বোন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমি ঠিক মনে করতে পারছি না জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কারা সফরসঙ্গী হয়েছিলেন।’ বর্তমানে রাশেদ খান মেনন কারাগারে আছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘জিয়াউর রহমান সাহেবের সঙ্গে জাতিসংঘে গিয়েছিলেন সিনিয়র কয়েকজন নেতা। আমার এই মুহূর্তে মনে নেই। একমাত্র জিয়াউর রহমানই এটি করেছেন আগে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বিভাগের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, ১৯৮০ সালের ২৫-২৭ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তিগত সফরে যান জিয়াউর রহমান। তাকে হোয়াইট হাউজে স্বাগত জানান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টার।

হোয়াইট হাউজের দক্ষিণ লনে দাঁড়িয়ে জিমি কার্টার বলছিলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার গণতান্ত্রিকীকরণের সুবিধাও আলোচনা করেছি। প্রেসিডেন্ট জিয়াউরের নির্বাচনের ফলে উন্মুক্ত এবং স্বাধীন নির্বাচনি প্রক্রিয়া বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা মুসলিম জাতিগুলোসহ সার্বিক বিশ্ব সম্প্রদায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউরের নেতৃত্বের জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভূমিকা পালন করেছে বলেও ওই ব্রিফে জানান কার্টার। তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়ার যুক্তরাষ্ট্র সফরের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দ্য অ্যামেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্টের ওয়েবসাইটে পাওয়া জিমি কার্টারের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, জিয়াউর রহমানকে তিনি ‘মহান নেতা’ হিসেবে সম্মোধন করেন। বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পর তার নেতৃত্বে দেশটিতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে (www.presidency.ucsb.edu/documents/meeting-with-president-ziaur-rahman-bangladesh-remarks-following-the-meeting)।’

সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফে জিয়াউর রহমানও উষ্ণ সংবর্ধনার উজ্জ্বল প্রশংসা করেন। জিমি কার্টার ব্যস্ততার মধ্যে সময় দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জিমি কার্টার সরকার যে বিশাল অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেয়, সেটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জিয়া। তার ভাষ্য ছিল, ‘আপনি যে বিশাল অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছেন, তা আমাদের অনেক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেছে। যা পূরণ না হলে আমাদের জন্য বিশাল সমস্যা সৃষ্টি হতো।’

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, যুক্তরাষ্ট্র সফরে ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন জিয়াউর রহমান। পরে ওয়াশিংটন থেকে নিউইয়র্ক হয়ে ফ্রান্সের প্যারিস সফর করেন তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদ রচিত ‘আমার রাজনীতির ৬০ বছর জোয়ার-ভাটার তখন’ শীর্ষক গ্রন্থে জিয়াউর রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান যখন উপ-প্রধান সামরিক প্রশাসক তখন চীনের সমর্থনের জন্য জাফর আহমদকে দেশটির স্বীকৃতি আদায় ও বাংলাদেশে চীনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠানো নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টার অনুরোধ করেছিলেন। তখন জাফর আহমদ লন্ডন হয়ে জার্মানির বনে যান। ওই ঘটনার পরপরই জিয়াউর রহমান চীন সফর করেন এবং সংবর্ধিত হন।

jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68cea663aa7fa" ) );

অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে চার রাজনীতিকের যাত্রা, নেপথে কী

‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চার রাজনীতিকের সফরসঙ্গী হওয়ার পেছনে কোনও পরাশক্তির ইঙ্গিত থাকতে পারে’ বিএনপির নীতিনির্ধারণে কাজ করেন এমন একজন দায়িত্বশীল এই মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধান দল হিসেবে কেবলমাত্র বিএনপির মহাসচিব হলে তা স্বাভাবিক দেখাতো। কিন্তু তিনটি দলের নেতার সঙ্গে মির্জা ফখরুলের যাত্রার বিষয়টি আরও গভীর প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিএনপির বাইরে বাকি দুটি দল কোন ক্রাইটেরিয়ায় ঠিক করা হয়েছে, এর পেছনে কারণ কী, তা কেবল উদ্যোক্তারাই বলতে পারবেন।’

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমি যেটা মনে করি, রহস্যটা হলো এদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচন, সেখানে মার্কিন প্রভাবসহ এক ধরনের বোঝাপড়া তৈরি করা যায় কি-না, এই বিষয়টি সম্ভবত কাজ করছে। তাদের এখানে সামরিক উপস্থিতির বিষয়টিও থাকতে পারে। সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও আমি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছি, তাদের এসব স্পষ্ট করা দরকার।’

লক্ষ্যণীয়, দেশের বামপন্থি দলগুলো ইতোমধ্যে, ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে মার্কিন-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া, ইমিগ্রেশন ছাড়া মার্কিন সেনাদের প্রবেশ, কক্সবাজার বিমানঘাঁটিতে গোপন সভা, বিমানঘাঁটি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি’ বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

আরেকজন নেতার পর্যবেক্ষণ, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফরে এবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ম্যাসিভ বিক্ষোভ হতে পারে। এই বিষয়টিও নেতাদের সঙ্গে রাখার কারণ হতে পারে।’

একটি দলের প্রধানের মন্তব্য, ‘প্রধান উপদেষ্টাকে একেকজন একেক বুদ্ধি-পরামর্শ দেয়। হতে পারে গত জুনে লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর অনেকের উষ্মা হয়েছিল, সে কারণে জামায়াত-এনসিপিকে এবার যুক্ত করা হয়েছে জাতিসংঘ সফরে। হয়তো কেউ বলেছে, তাদেরও খুশি করে দেন। বিএনপিও খুশি, তাদের দুই জন যাচ্ছেন।’

জানতে চাইলে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার কোনও বিষয় থাকতে পারে। তিন দলকে বুঝিয়ে যদি নির্বাচনের দিকে একমত করতে পারেন, অসুবিধা কী।’

একটি দলের সভাপতি বলেন, ‘যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ডেকে থাকেন তাহলে সেটা আলাদা প্রশ্ন। আলোচনা তো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখানেই হচ্ছে। এটা তো ম্যাচিউর কূটনৈতিক মুভ, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়।’

তবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের সফরসঙ্গী হওয়া নিয়ে অনেকে চাপা মন্তব্য করেছেন। কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলতে না চাইলেও বিষয়টিকে তার মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কি-না, এও উল্লেখ করেন।

jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68cea663aa856" ) );

একটি দলের সাধারণ সম্পাদকের ভাষ্য, ‘আমার অ্যাসেসমেন্ট (মূল্যায়ন), উনার জন্য যাত্রা ডিগনিফাই (সম্মান) কি-না, এই প্রশ্ন থেকে যায়।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অভিজ্ঞ একজনের মন্তব্য, ‘শীর্ষ রাজনীতিক হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারছি না।’ তার ভাষ্য, ‘সফরের কোনও কৌশল নিশ্চয়ই আছে। পলিটিক্যাল পার্টিগুলো যেহেতু আছে, হেতুও আছে।’

অভিজ্ঞ রাজনীতিক সাইফুল হক অবশ্য এ বিষয়ে মন্তব্যে অপারগ। তিনি বলেন, ‘আমি মির্জা ফখরুল সাহেবের সফরসঙ্গী হওয়ার বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না।’

কোনও কোনও দায়িত্বশীলের সন্দেহ, ‘তিন দলের নেতার সমন্বিত সফরে বিএনপির ক্রেডিবিলিটি (বিশ্বাসযোগ্যতা) নিয়ে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক। এখানে দেশের স্বার্থই বা কী?’

জানতে চাইলে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘যদি ধরে নেই, বড় দল হিসেবে বিএনপি ও জামায়াতকে সঙ্গে নিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। কিন্তু এনসিপিকে কীভাবে যুক্ত করলেন? তিনি যদি মনে করতেন, সিনিয়র রাজনীতিকদের নেবেন বা প্রধান দলগুলো থেকে নেতা নেবেন, সেটা হতে পারতো। আমি এই প্রশ্ন তুলতে চাই না, কারণ এতে মনে হবে আমি যেতে চাই। কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যায়।’

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ এক অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেছেন, ‘এখানে তো আপনাদের রিসোর্সের সীমাবদ্ধতা দেখতে হবে। জাতিসংঘের অধিবেশন কিন্তু তিন মাস ধরে চলে, হয়তোবা সরকার ভেবে দেখবে পরে আবার নতুন কাউকে পাঠাতে হয় কিনা।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন বিএনপি, জামায়াতে ও এনসিপির চার জন রাজনীতিক।

প্রসঙ্গত, গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাইডলাইনে বৈঠক করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বছরে সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হবে কি-না, তা জানা যায়নি।

Comments

0 total

Be the first to comment.

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হলেন হাসানুজ্জামান BanglaTribune | জাতীয়

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হলেন হাসানুজ্জামান

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামানকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস...

Sep 15, 2025

More from this User

View all posts by admin