জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আজই চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আশাবাদ ঐকমত্য কমিশনের

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আজই চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আশাবাদ ঐকমত্য কমিশনের

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আজই চূড়ান্ত নিষ্পত্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, গণভোটের দিকে আমাদের অগ্রগতি অনেক দূর এগিয়েছে। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা সামনে অগ্রসর হবো।

বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৩টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পঞ্চম দিনের বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আলী রিয়াজ বলেন, আগের বৈঠকে যে অগ্রগতি হয়েছে, আজ বাকি অংশ নিষ্পত্তি হবে। সে আশা আমরা করতেই পারি। যার মাধ্যমে নতুন পথরেখা তৈরি হবে। এর মধ্যে দলগুলোর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট একটি প্রস্তাবনা এলে তা সরকারকে অবহিত করা হবে। আজ ঐকমত্য হলে আজই আলোচনা শেষ হবে। 

এ বিষয়ে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা সরকারের কাছে হস্তান্তরের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে পরামর্শ দেন তিনি।

ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, গণভোটের বিষয়ে কমিশনকে যদি আরেকটু সুনির্দিষ্ট করে বলেন, তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবটি সরকারের অবগতির জন্য দেওয়া হবে। আপনাদের ( রাজনৈতিক দলগুলো) অবহিত করেই সরকারকে দেবো। গণভোটের বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য কোন বিষয়গুলো রাখতে হবে, নোট অব ডিসেন্টগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। যেসব দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন—তারা তাদের অবস্থান থেকে দিয়েছেন। গণভোটে নোট অব ডিসেন্ট থাকা বিষয়ে আলাদাভাবে জনগণের মতামত নেওয়া যায় কিনা, সেটিও কমিশনকে ভাবতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে জনগণ যেন জেনেশুনে সম্মতি দিতে পারেন। কিছু দলের আপত্তি আছে, সেগুলো সনদে উল্লেখ করা আছে—কী কারণে তাদের আপত্তি রয়েছে। কমিশন গত কয়েকদিন থেকে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে আসছে। আপনাদের থেকে ১০৬ অনুচ্ছেদের যে বিষয়টি সেটি এসেছে এখন আর সেটার প্রয়োজন নেই। কীভাবে সনদের স্পষ্ট রূপ দেওয়া যায়, এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। আপনারাও বলেছেন, প্রয়োজন হলে আরও একদিন আলোচনা হতে পারে। তবে ১০ অক্টোবরের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবগুলো আমরা সরকারের কাছে দিতে চাই। আমরা আগামী ১৫-১৬ অক্টোবরের মধ্যে সইয়ের আয়োজনটা শেষ করতে চাই।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বাংলাদেশ (এলডিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

Comments

0 total

Be the first to comment.

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হলেন হাসানুজ্জামান BanglaTribune | জাতীয়

নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হলেন হাসানুজ্জামান

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামানকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস...

Sep 15, 2025

More from this User

View all posts by admin