আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে না পৌঁছলে গণভোট ছাড়া উপায় নেই। সংবিধান পরিবর্তন, সংস্কার, সংশোধন, নতুন করে লেখা বা সংবিধান বাতিলের চূড়ান্ত ক্ষমতা হলো জনগণের।
বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকের মধ্যাহ্নে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মঞ্জু বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ তৈরি করেছি। এ ক্ষেত্রে হয়তো কয়েকটি বিষয়ে কারও কারও নোট অব ডিসেন্ট আছে। কিন্তু চূড়ান্ত কোনটা হবে তা নির্ধারণের মূল ক্ষমতা জনগণের।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, কমিশনের আজকের প্রস্তাবে জুলাই ঘোষণাপত্রের ২২ নম্বর অনুচ্ছেদকে রেফারেন্স আকারে উল্লেখ করায় কোনও কোনও রাজনৈতিক দল ও নেতা জুলাই ঘোষণাপত্রের বৈধতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে যারা আজ প্রশ্ন তুলেছেন কাল তারা সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন এবং এই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না তার নিশ্চয়তা কি?
এ সময় দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক বলেন, সংবিধানে এটা নেই, ওটা নেই বলে সংবিধান সংস্কার করা যাবে না। কারণ এ ধারণাটি অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পরিপন্থি।
রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদের বাস্তবায়নের পদ্ধতির প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান থেকে নমনীয় না হলে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পুরো প্রচেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়বে; যা জাতিকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। তাই জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা জরুরি। না হলে গণভোট ছাড়া কোনও বিকল্প নেই।