অভিনয় 

অভিনয় 

এখন তো মনের মতো সঙ্গী পেয়েছি। ইচ্ছে মতো খাই, দাই, ঘুরে বেড়াই। মনের সব ইচ্ছে পূরণ করছি। আমি দেখেছি, ওকে নিয়ে যত জায়গায় ঘুরে বেড়াই সেসব জাযগায় ইচ্ছে মতো কেনা-কাটার জন্য বা খাবারের জন্য সীমা ব্যাকুল হয়ে ওঠে না। আমি জোর করে ওকে এটা ওটা কিনে দেই, জোর করে খাওয়াই। ও কোনো বায়না করে না। এসবে ওর কোনো অভিযোগ নেই, আপত্তি নেই। বেশি খরচ করতে দিতে চায় না। ওর চাহিদা খুব কম। খুব হাসিখুশি একটা মেয়ে। কোনো একগুঁয়েমি নেই, খামখেয়ালি নেই। খুব বুদ্ধিমতী, খুব হিসেবি। যখন যা ইচ্ছে করা যায়। এক সময় আমরা কার্টুন টিভি সিরিয়াল ‘মটো-পাতলু’ নিয়ে হাসিতে ডুবে যাই। ইচ্ছে না করলেও দেখতে দেখতে ‘মটো-পাতলু’ আমারও প্রিয় সিরিয়াল। সীমা আমাকে অনেককিছু খাইয়ে দিয়েছে। ও আমাকে ছেড়ে কখনো খাবে না, খায় না। আমি দেরি করলে ও আমার জন্য অপেক্ষা করে। যত দেরিই হোক, আমাকে ছাড়া কোনো অবস্থাতেই খাবে না। আমাকে এজন্য সতর্ক থাকতে হয়। বাসায় ফেরার জন্য ব্যাকুল থাকতে হয়। যথাশীঘ্র বাসায় ফিরে আসি। বাসায় ফিরে মোবাইল টাচ করার কোনো সুযোগ নেই। সারাক্ষণ ও আমার সাথে মিশে মিশে থাকে। কাউকে আন্তরিকতা দিয়ে বলে অনেককিছু করিয়ে নেয়া সম্ভব, কিন্তু জোর-জবরদস্তি করে বা ধমক দিয়ে কখনো কিছু করিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। সীমাকে কোনোকিছু জোর করে করাতে হয় না। ও আপনা থেকেই ওরকম। ও নিজের ইচ্ছেতেই সবকিছু করে, যা আমার কাছে মনের মতো হয়। ওর কাজগুলো আমারও মনের সাথে মিশে যায়।রাতের খাবার শেষ করে আমরা একটু টিভির সামনে বসি। টিভি আসলে একটা উপলক্ষ। একটা উপলক্ষ নিয়ে একসাথে বসা। আমরা টিভি দেখার ছলে জীবনে ঘটে যাওয়া সারাদিনের সমস্ত আলোচনা করি, আমরা একে অপরের কথার মূল্য দেই, ঘটে যাওয়া আলোচনার মূল্য দেই, জুলাই সনদ নিয়ে আমাদের ভাবনা আলোচনা করি। বাজার ব্যবস্থা, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা বিশেষ করে ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে ইউরোপীয়ান কাপ, ইতালিয়ান ক্লাব, ল্যাটিন আমেরিকার ক্লাব ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করি। সুযোগ পেলেই আমরা খেলা দেখি। অনেক রাত জেগেও খেলা দেখি। রাজনীতি নিয়ে আমাদের আলোচনার সুবিধা হলো আমরা আওয়ামী লীগ না, বিএনপি না, জাতীয় পার্টি না, অন্যান্য দল না। আমরা যে কোনো দলের দোষত্রুটি নিয়ে আলোচনা করি। ভুলকে ভুল আর শুদ্ধকে শুদ্ধ বলে মনে করি। আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়, আমাদের মধ্যে তর্ক হয় না। কেন তর্ক হয় না, তা বুঝি না। সবকিছু মিলে যাওয়াটা অনেক শান্তি ও স্বস্তির। আমাদের সবকিছু মিলে যায়। আমার পছন্দ আর ওর পছন্দগুলো একই রকম। এই মিলটা উপরওয়ালার তরফ থেকে হতে হয়, উপরওয়ালার রহমত। মিলে যাওয়াটা কতটা আনন্দের এবং স্বস্তির তা শুধু আমিই জানি। এর বিপরীত দৃশ্যটা দিয়ে আমার স্মৃতিগুলো ভরা ছিল। এখনো সে সব দিনের কথা মনে পড়লে আমি ভয়ে কেঁপে ওঠি, কাঁপতে থাকি। অতীত ভুলে যেতে সীমা আমাকে খুব সাহায্য করে। ওর সহযোগিতা না পেলে আমি এত তাড়াতাড়ি সেই সব ভয়ানক স্মৃতি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব ছিল না।মৌসুমির অতীত জীবনের আরেক ছেলে বন্ধু শফিক। শফিক ওর ছেলে বেলার বন্ধু। শফিক বুয়েট থেকে পাশ করেছে। এখন বিজনেস করে। অনেক টাকা-পয়সার মালিক। এক সন্তান আর স্ত্রীকে নিয়ে ওদের সুখের সংসার। সুখ অবশ্য বললাম এ কারণে যে, আসলে বিসিএস কর্মকর্তা বউয়ের সাথে ওর খুব একটা সুসম্পর্ক নেই। সুসম্পর্ক না থাকলেও সংসার চলছে। সুখ আর সংসার সমার্থক কিন্তু সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থবাহী। শফিক তার একমাত্র মেয়েকে খুব ভালোবাসে। মেয়েও বাবাকে ভালোবাসে। বাবা মেয়ের ভালোবাসায় মা কখনো বাঁধা হয়ে ওঠে না। কখনো বাঁধা দেয় না, কোনোকিছুতে প্রতিবন্ধকও হয়ে ওঠে না। উনি সকাল বেলা বাসা থেকে বেরিয়ে যান আর ফিরেন রাত বারোটায়, কখনো তারও পরে। সারাদিন বাইরে বাইরে এবং অফিসে কাটান। অবশ্য উনার অফিস মানে বিজনেস প্রতিষ্ঠানে বাসার মতো সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে। সেজন্য উনার কোনো অসুবিধা হয় না। উনার অফিসে রান্নাঘর, গোসলখানা, বিশ্রামকক্ষ সবই আছে। প্রতিদিন অফিসে রান্না হয়। সুতরাং খাবার-দাবারের কোনো কষ্ট নেই। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে দুপুর এমনকি মাঝে মাঝে রাতের খাবারও অফিসেই খান। বাসাটা একটা রুটিন ওয়ার্কের মতো ব্যাপার। ফিরতে হয় তাই ফিরেন। অফিসে ঘুমানোর ব্যবস্থাও আছে। সেই শফিকের সাথেও মৌসুমির অনেক গভীর সম্পর্ক। অনেক ঘনিষ্টতা। বউয়ের সাথে যেহেতু শফিকের ভালো সম্পর্ক নেই, সেহেতু ওর একজন বান্ধবীর খুব প্রয়োজন। মৌসুমি সে প্রয়োজনটুকু মিটিয়ে দেয়। প্রায় প্রায়ই ওনার অফিসে যায়। কখনো অফিসে আড্ডা মারে, কখনো অফিস থেকে বেরিয়ে ওরা অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। লং ড্রাইভেও যায়।শফিক, ওর হাত দুটো ধরে বসে থাকতে চায়, বলে, তোর হাত দুটো ধরে বসে থাকতে খুব ইচ্ছে করে।

তোর যদি ইচ্ছে করে তাহলে ধর। ধরে বসে থাক।

শফিক ওর হাতদুটো নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে বলে, তোর হাত ধরে আমি স্বর্গে চলে যেতে চাই।

যা না, তোকে মানা করেছে কে?

তাহলে, বল আমার একটা কথা রাখবি?

কী কথা?

আগে বল, রাখবি।

কিছু না জেনে কীভাবে কথা দেই?

আমার প্রতি এইটুকু বিশ্বাস নেই?

সে আছে, তবুও।

আমি তোর কাছে কী এমন চাইতে পারি, যা তুই রাখতে পারবি না?

কিন্তু তুই কী করেছিস আমার জন্য?

কী করিনি, বল?

কী দায়িত্ব পালন করেছিস?

কীভাবে করব, তুই তো সব সুযোগ দিয়েছিস সজিবকে। ওর সাথে তো রিসোর্টেও গিয়েছিস। আমাকে কী কোনো সুযোগ দিচ্ছিস? তুই আমাকে তো কোনো সুযোগই দিচ্ছিস না। সে রকম সুযোগ সৃষ্টি না হলে আমি কী করব?

কী সুযোগ তুই চাস? কী সুযোগ আমাকে সৃষ্টি করতে হবে? সজিবকে তো আমি কিছু শিখিয়ে দেইনি।

সেদিন থেকে শফিকের আচরণ একটু অন্যরকম হয়ে যায়। কথায় কথায় কাছে টানার চেষ্টা করে। শরীরের প্রতি তার লোভ দিন দিনই বেড়ে যেতে থাকে। তারপর শফিক বলে, আচ্ছা, মনে রাখলাম। এখন চল।

কোথায়?

কোথাও একটু বেড়িয়ে আসি।

কোথায় যেতে চাস?

যেখানে ইচ্ছে সেখানে, তাতে কী তোর কোনো আপত্তি আছে?

না, মানে তবুও...

আড়ং-এ। তোকে একটা শাড়ি কিনে দেবো বলেই ওকে নিয়ে আড়ং-এ চলে যায়। ওখানে গিয়ে মৌসুমিকে শাড়ী পছন্দ করতে বলে।

না, তুই দিচ্ছিস, তুই পছন্দ করবি।

টাকা আমার আর পছন্দটা তোর। তুই পছন্দ কর।

তারপর মৌসুমি একটা অনেক দামী শাড়ী পছন্দ করে। ওর পছন্দ অনেক সুন্দর। গিফ্ট পেতে ওর খুব পছন্দ।

শফিক টাকা দিয়ে শাড়ীটা প্যাকেট করে মৌসুমির হাতে তুলে দেয় এবং বলে, কী খাবি?

তুই যা খাওয়াবি। শফিক ওকে নিয়ে একটা কফি শপে যায়।

কফি খেতে ওরা কফি শপে বসে এবং কী খাবে তা নিয়ে আলোচনা করে।

মৌসুমি প্রথমে খাবে না বললেও ওর চাপাচাপিতে পেটিস ও কফি খেতে রাজি হয়। কফি খেতে খেতে শফিক ওর মেয়েকে নিয়ে অনেক কথা বলে। এই বিষয়টা মৌসুমির একবারেই পছন্দ না। আর শফিক ঐ গল্প করতেই বেশি পছন্দ করে। ও অনেক বিরক্তি নিয়ে কথাগুলো শুনে।

কফি খেয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় শফিক মৌসুমির হাতটা চেপে ধরে এবং হাত ধরেই হাঁটে।

মৌসুমি কোনো আপত্তি করে না। সে জানে কারো কাছ থেকে কোনো গিফ্ট নিলে তার একটা অধিকার তৈরি হয়। তাই সে শফিককে ফিরাতে পারছে না। অবশ্য ফিরানোর কোনো চেষ্টাও করেনি। হাত ধরে ওরা অনেক পথ ঘুরে বেড়ায়।এছাড়াও তারা মাঝে মধ্যেই অনেক দূর বেড়াতে যায়। নিয়মিত দেখা সাক্ষাৎ করে। একদিন ওরা টিএসসি-তে কনসার্ট দেখতে যায়। কনসার্ট দেখতে দেখতে অনেক রাত হয়ে যায়। ওরা টেরই পায় না। অনেক রাত্রি হয়ে গেছে দেখে অনুষ্ঠান শেষ হবার আগেই মৌসুমি চলে যেতে চায়।

শফিক, আমাকে একটু এগিয়ে দে।

এখন পারব না।

অনেক রাত হয়ে গেছে।

না, আমি এখন যেতে পারব না।

চল না, তুই একটু এগিয়ে দিয়ে আবার চলে আসবি। একটু এগিয়ে না দিলে আমি একা কীভাবে যাব?

তুই একটা সিএনজি নিয়ে চলে যা।

তুই একটু সিএনজি ঠিক করে দে।

আমি এখন পারব না। 

তুই যাবি না?

আমি আরও অনেক পরে যাব।

আমাকে একটু এগিয়ে দিয়ে আয়, প্লিজ।

না, পারব না। তুই একা একাই চলে যেতে পারবি।

সেদিন মৌসুমি অনেক কষ্ট পায় এবং একা একাই চলে যায়। রাস্তায় অনেক ভয় ভয় লেগেছে, তারপরও তো কিছু করার নেই। সেদিন মৌসুমি নিজেকে অনেক ছোট মনে করেছে। তার মনে হয়, শফিক তাকে কোনো মূল্যায়নই করে না। তার প্রতি কোনো দায়িত্ববোধও ফিল করে না। ওর কি উচিত ছিল না ঐটুকু দায়িত্ববোধ ফিল করা? এত অসম্মানের পরও মৌসুমী শফিকের অফিসে যায় দেখা করতে। তারা অনেক গল্প-গুজব করে। অনেক কাছের বন্ধু মনে করে। আসলে মৌসুমি কী চায় তা বুঝা যায় না কিন্তু শফিকের চাওয়া তো অনেকটা বুঝা যায়।একদিন শফিক আর মৌসুমি দীর্ঘ সময় ধরে শফিকের রেস্টরুমে আড্ডা দিচ্ছিল। শফিক ওর হাত দুটো চেপে ধরে বসে আছে। মৌসুমি হাত ধরাটাকে কিছু মনে করে না। এক মুহূর্তে শফিক বলে, চল, একদিন আমরা কোনো একটা রিসোর্টে যাই।

কেন, রিসোর্টে কেন?

তোর সাথে কিছুটা অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাতে চাই। তোকে কিছু সময়ের জন্য একান্ত আপন করে পেতে চাই।

আমার আপত্তি নেই।

তাহলে চল এক্ষুণি যাই।

কিন্তু একটা শর্ত আছে। কী শর্ত?

বল, বিনিময়ে কী দিবি?

কী চাস তুই?

আমি যা চাই, তা দিবি?

আগে বল।

তোর গাড়ি আর ফ্ল্যাটটা আমার নামে লিখে দে তারপর যেখানে যেতে বলবি সেখানেই যাব। হোটেল রিসোর্ট যেখানেই যেতে বলবি, সেখানেই যাব।

কিন্তু শফিক তাতে রাজি হয় না। একেবারে চুপচাপ হয়ে যায়।এই গল্প শুনে, আমি বলি তোমার দাম এত অল্প? সম্পদের দামে তোমার মূল্য নির্ধারণ করলে? উনি যদি গাড়ি আর ফ্ল্যাটটা দিয়ে দিতো তবে কী উনার সাথে রিসোর্টে যেতে? অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে? ব্যবসায়ী মানুষ উনার অনেক টাকা আছে। যদি সেখান থেকে কিছুটা দিয়ে তোমাকে রক্ষিতা বানাতো, রাজী হতে? অবশ্য রাজি তো হয়েছিলে। শুধু বিনিময়টাই সমস্যা ছিল।

আমি জানতাম, ওসব ও দিতে পারতো না।

দিতে পারলে তো যেতে?

ওভাবে ভাবছো কেন? ও যে ওসব দিতে পারবে না তা আমার জানা ছিল, তাই ঐ শর্তটা দিয়েছি।

আচ্ছা, তোমাকে হয়তো রিসোর্টে নিতে পারলো না কিন্তু এসব কথা বলার সাহস পায় কীভাবে? যার সাথেই মিশছো, একটা সময় পরে সে-ই ভালোবাসার প্রস্তাব দিচ্ছে, শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে বসছে। কিন্তু কেন? তার মানেটা কী? তুমি ওদের সাথে কী করো বা কী বলো? সবার সাথে এতই ফ্রি হয়ে যাও যে ওদের মধ্যে ঐ রকম স্বপ্নের জন্ম হয়েই যায়। তাতে করে সবাই সাহস পায় তোমাকে যে কোনো প্রস্তাব দিতে। তুমিও নিশ্চয়ই এসবে সুখ বোধ করো। তুমি তো চাও সবাই তোমাকে পছন্দ করুক, প্রস্তাব দিক। তোমার পেছনে ঘুরুক। যত মানুষ পেছনে ঘুরবে ততই তোমার দাম বাড়বে। তুমি মূল্যবান হবে। কিন্তু তুমি কী জানো, একজন মূল্যবান মানুষকে সবাই প্রস্তাব দিতে পারে না। মানুষ মূল্যবান শুধু রূপ দিয়েই হয় না। মূল্যবান হওয়ার অনেক উপকরণ থাকে। মূল্যবান মানুষের আচার আচরণ, স্বভাব চরিত্র, চলাফেরা, তার চাহনি, এক্সপ্রেশন, ইম্প্রেশন এবং ব্যক্তিত্ব সবই মূল্যবান হয়ে থাকে। এই যে রিসোর্টের প্রস্তাবটা দিলো, এরপর কী এর সাথে আর বন্ধুত্ব রাখা যাবে, নাকি যায়? বন্ধু হলেই হাত ধরে বসে থাকা বা ঘোরা যায়? হাত ধরা কী শারিরীক সম্পর্ক নয়? তাতে কী শারীরিক চাহিদার জন্ম হবে না? এ রকম প্রস্তাবের পর একজন মানুষের সাথে হয় গভীর বন্ধুত্ব হবে, না হয় দূরত্ব তৈরি হবে। তুমি এখনো কী করে উনার সাথে বন্ধুত্ব রাখছো? আসলে এগুলোকে বন্ধুত্ব বলে না। তুমি বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার পার্থক্যই বুঝো না।

Comments

0 total

Be the first to comment.

অ্যান্টি লাইব্রেরি BanglaTribune | ধারাবাহিক

অ্যান্টি লাইব্রেরি

বইয়ের প্রতি আমার ভালোবাসা অনেকটা আসক্তির মতো। বইয়ের দোকানে ঘুরতে গেলে প্রায়ই কম করে হলেও তিনটি বই ক...

Oct 16, 2025
সরীসৃপতন্ত্র BanglaTribune | ধারাবাহিক

সরীসৃপতন্ত্র

তেলরঙের ছবির মতো ঘোরতোমার চোখে ঘুম নেই, মোকাম। বেশ কিছুদিন ধরে তোমার ঠিকঠাক ঘুম হয় না। চোখ যখন-তখন জ...

Nov 10, 2025

More from this User

View all posts by admin