প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আন্দোলনের ১৬তম দিনে তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)। চাকরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধীরা মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে মার্চ করবে বলেও জানান আন্দোলনকারীরা।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় শাহবাগ থানার সামনে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান। পরিষদের আহ্বায়ক আলী হুসেন এসময় তাদের যমুনা অভিমুখে মার্চের ঘোষণা দেন।
সামান্তা শারমিন বলেন, ‘‘ওনাদের (প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ) যে ৫ দফা দাবি রয়েছে, তার মধ্যে যেগুলো যৌক্তিক তা অবিলম্বে পূরণ করতে হবে।’’
ঐকমত্য কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘জুলাইয়ে আহত যে প্রতিবন্ধী তাকে পর্যন্ত এখানে রাখা হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোকে সব সুযোগ দেওয়া হলো, কিন্তু বিভিন্ন ধরনের মানুষ যারা জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে, তাদেরকে তারা জায়গা করে দিতে পারলেন না।’’
প্রতিবন্ধীরা কিভাবে ‘নীতিগত সমস্যার’ কারণে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হয় তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘ওটা যদি আমরা এখন সমাধান করতে না ও পারি, যারা গ্র্যাজুয়েশন পর্যন্ত এসেছেন, অনার্স মাস্টার্স করেছেন, তাদের সংখ্যাটাই বা কত? এই অল্পসংখ্যক মানুষকে যদি চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া না যায়, তাহলে এইটার দায় তো অবশ্যই কোনও না কোনও সরকারের।’’
প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আহ্বায়ক আলী হুসেন জানান, তারা মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে মার্চ করবেন।
তাদের আন্দোলনে এনসিপির সংহতি জানানোর বিষয়টির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‘আন্দোলনের ১৬তম দিনে এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক দল আমাদের সেঙ্গে সংহতি জানিয়েছে।’’