রাশিয়ার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে চীন ও ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, দেশ দুটি রুশ তেল কিনে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে রাশিয়ার সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা করছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
শুক্রবার জি-৭ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কানাডার অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেইন। আলোচনায় রুশ সম্পদ জব্দ করে তা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় ব্যবহার এবং রাশিয়ার ওপর অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞার পথ খোঁজার বিষয়ে ঐকমত্য হয়।
বৈঠক-পরবর্তী এক বিবৃতিতে বেসেন্ট ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রের অর্থের উৎস বন্ধ করতে একক প্রচেষ্টা জরুরি। তবেই হত্যাযজ্ঞ থামানো সম্ভব হবে।
আগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর ফলে মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। এর মাধ্যমে নয়াদিল্লিকে রুশ তেল কেনা বন্ধের চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন। তবে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা রক্ষায় বেইজিংয়ের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ থেকে বিরত থেকেছেন ট্রাম্প।
এদিকে বেসেন্ট শুক্রবার মাদ্রিদে যাচ্ছেন চীনের ভাইস-প্রিমিয়ার হি লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসতে। আলোচনায় বাণিজ্য, টিকটকের মালিকানা পরিবর্তন এবং অর্থপাচারবিরোধী ইস্যু প্রধান এজেন্ডায় থাকবে।
একই দিনে ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, পুতিনের প্রতি তার ধৈর্য শেষ হয়ে আসছে। তবে সঙ্গে সঙ্গে নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেননি। তিনি বলেন, ব্যাংক ও জ্বালানি খাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, তবে ইউরোপীয় দেশগুলোকেও অংশ নিতে হবে।
ট্রাম্পের ভাষায়, আমাদের খুব শক্ত অবস্থানে যেতে হবে।