ফিল সল্টের ৩৯ বলে ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩০৪ রানের পাহাড় টপকাতে না দিয়ে রেকর্ড জয় তুলে নিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিক দল।
সার্বিকভাবে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ হলেও ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল রেকর্ড স্কোর। ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ফিল সল্ট। ৩৯ বলের সেঞ্চুরিতে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ইংলিশদের হয়ে নিজেরই করা সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। হয়েছেন ইংল্যান্ডের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ানও। তাছাড়া ১৪৬ রানের এই জয়টিও এই সংস্করণে তাদের সবচেয়ে বড়।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে ইংল্যান্ড ব্যাট হাতে ঝড় বইয়েছে। মেরেছে ৩০টি চার আর ১৮টি ছক্কার মার। শুধু বাউন্ডারিতেই এসেছে ২২৮ রান, যা মোট সংগ্রহের ৭৫ শতাংশ। তাতে দলের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৩০৪। সল্ট একাই রেকর্ডবুক ওলট-পালট করেছেন। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বাধিক চারটি টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি এখন তার দখলে। দলের শীর্ষ আট ইনিংসের মধ্যে পাঁচটিই তার।
প্রোটিয়া বোলারদের জন্য ম্যাচটি ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কখনও এর চেয়ে বেশি রান তারা হজম করেনি। কাগিসো রাবাদা (০/৭০), লিজাড উইলিয়ামস (০/৬২) আর মার্কো ইয়ানসেন (০/৬০)—তিনজনই চোট থেকে ফিরেছিলেন। কিন্তু তাদের প্রত্যাবর্তনটা হলো দুঃস্বপ্নে।
সল্ট ছাড়া জশ বাটলারও তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে অবদান রেখেছেন। ৩০ বলে ৮৩ রানের বারুদে ইনিংস খেলেছেন তিনি। প্রথম উইকেট জুটিতে সল্ট-বাটলার মিলে যোগ করেছেন ১২৬ রান! বাটলারের ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৭টি ছয়ের মার।
সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার বিশ্ব রেকর্ড দক্ষিণ আফ্রিকারই ছিল (২৫৯/৪) কিন্তু এবার লক্ষ্যটা ছিল ধরা ছোঁয়ার বাইরে। প্রতি ওভারে দরকার ছিল ১৫.২৫ রান। ২১ বলে ৫০ রান তুললেও সেখান থেকে আর জেতার মতো অবস্থায় যেতে পারেনি প্রোটিয়ারা। সর্বোচ্চ ২০ বলে ৪১ রান করেন অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। এরপর বিয়র্ন ফরটুইনের ১৬ বলে ৩২ রানই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। মিডল অর্ডার ছিল ব্যর্থ।
জোফরা আর্চার ২৫ রানে নেন ৩টি উইকেট। ২টি করে নেন স্যাম কারান, লিয়াম ডসন ও উইল জ্যাকস।