কঙ্কালএমন মরব—দীর্ঘ চুম্বনের পর যেন স্থির ঝুলে আছি তোমার অধরেএকবিন্দু বরফের মতো!মাংস খসেছে তবু দুজনের যৌথ করোটি—স্থিত ও অবিচ্ছেদ্যবহু বহু বহু বর্ষ পরও!আর কোনো প্রত্ন জাদুঘরে—পুরাণবিদ সাজিয়ে রাখছে আমাদের সংঘবদ্ধ ক্ষয়িষ্ণু কঙ্কালঅনুশোচনাভেসে ভেসে ঐ আশ্চর্য সমুদ্র বন্দরে পৌঁছে যাব একদিন, যার সদর দরজায় দাঁড়িয়ে আছে সেই স্বয়ম্ভূ শৈলেশ্বরী—গ্রীবা ঘুরিয়ে রেখেছে দিগন্তে, বিস্ময়কর সব ঢেউ উঠছে খোলা চুলে; যাকে একটু দেখতে চাই বলে, নিভৃতে কয়েক মুহূর্ত চুম্বনে, ধরো আলিঙ্গনেও জড়াতে চাই বলে কত কত ভুল হাতে, ভুল ওষ্ঠে নিজেকে সমর্পণ করেছি কত শত অমাবস্যা-পূর্ণিমার রাতে; যাকে কোনোদিন দেখিনি অথচ হন্যে হয়ে খুঁজে চলেছি কী দিন কী রাত্রি...বৃথা সব যৌবন-ক্ষয়ের গ্লানি যখন নিজেকে বিমর্ষ ও বিস্রস্ত করে তুলেছে, তাকে বরং অলীক ভেবেছি মাঝে মাঝে, বিভ্রম ভেবেছি তবু সে তো ঠায় দাঁড়িয়েছিল ঐ আশ্চর্য সমুদ্র বন্দরের সদর দরজায়; তার হাতখানা একবার, মাত্র একবার ধরতে পারলেই বোধকরি পূর্ণ হয়ে উঠবে সমুদয় শূন্য ভাণ্ড...একবার, একবারই চাই—তারপর নৈঃশব্দ্য দীর্ঘ হবে শুধু