আগামী বছরের মার্চে অস্ট্রেলিয়াতে এশিয়ান কাপ ফুটবলে খেলবে বাংলাদেশের মেয়েরা। তার আগে ফিফা প্রীতি ম্যাচগুলোতে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন আফঈদা খন্দকাররা। যদিও থাইল্যান্ডে দুটি ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচে আফঈদারা গোল হজম করেছে ৮টি। থাইদের জাল স্পর্শ করেছে মাত্র একটি। দুই ম্যাচশেষে বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার থাইল্যান্ডের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। তবে হারলেও শিষ্যদের পাশেই থাকছেন তিনি।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) ব্যাংককে ম্যাচশেষে বাটলার এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, 'নিজেদের জায়গায় সৎ থাকতে হবে। আমরা এখনও তাদের পর্যায়ে পৌঁছাইনি। আজ রাতে এমন একটি দলের বিপক্ষে খেলেছি, যারা সত্যিই দুর্দান্ত। তাদের রিসোর্স অনেক, কোচিং দারুণ, আর কিছু অসাধারণ খেলোয়াড়ও আছে তাদের দলে। আগেও বলছিলাম, শারীরিক দিক থেকেও তারা আমাদের মেয়েদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও ফিট।'
শামসুন্নাহার-রুপনাদের প্রশংসা করে ইংলিশ কোচ বলেন, 'তবুও আমি আমাদের মেয়েদের নিয়ে গর্বিত। তারা যেভাবে খেলেছে, যেভাবে লড়েছে, আমি খুশি। আমি মনে করি না থাইল্যান্ডের সঙ্গে তুলনা করা উচিত। তারা একেবারেই ভিন্ন স্তরের দল, সম্পূর্ণ আলাদা পর্যায়ে আছে। কিন্তু আমাদের মেয়েরা দারুণ সম্ভাবনা দেখাচ্ছে, এটা স্বীকার করতেই হবে।'
দুই ম্যাচের কাটা-ছেঁড়া করতে গিয়ে বাটলার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে, 'খেলার কিছু দিক নিয়ে আমি সত্যিই সন্তুষ্ট, যদিও কিছু জায়গায় আমরা সংগ্রাম করবই। বিশেষ করে শারীরিক দিক, রিসোর্স, অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধায়। আমি দোষারোপ করি না, আবার অজুহাতও খুঁজি না। থাইল্যান্ডে এই টার্ফে আমরা দশবার খেললে নয়বারই হারব। আর এটা শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই নয়, অন্য দলগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যেমন ভারত যদি থাইল্যান্ডকে হারায়, তার মানে এই নয় যে সবাই পারবে। আমরা নিজ মাঠে থাইল্যান্ডকে টক্কর দিতে পারি, কিন্তু এখানে এই পরিবেশে খুব কঠিন।'
দুটি ম্যাচে নিজেদের ভুলে গোল হজম করতে হয়েছে। বাটলার সরাসরি দোষ না দিয়ে বলেছেন, 'তবুও আমি হতাশ নই। কিছু গোল আমরা যেভাবে হজম করেছি, সেটা নিয়ে আফসোস আছে। কিন্তু আমি সামনে এগিয়ে চলার ব্যাপারে খুবই ইতিবাচক। আমি জানি আমাদের সমস্যাগুলো কী এবং সেগুলোর সমাধান করা যায়।'