ট্রফি কার, সিরাজগঞ্জ নাকি দিনাজপুরের

ট্রফি কার, সিরাজগঞ্জ নাকি দিনাজপুরের

অনেক দিন পর জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ মাঠে গড়িয়েছে। ৩০ আগস্ট শুরুর পর এবার ফাইনালের অপেক্ষা।   শনিবার (২২ নভেম্বর) সিরাজগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলা ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।  কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ট্রফির জন্য ম্যাচটি  শুরু হতে যাচ্ছে  বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে।

এর আগে ১১ নভেম্বর প্রথম সেমিফাইনালে দিনাজপুর ৩-২ গোলে চট্টগ্রামকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। পরের দিন দ্বিতীয় সেমিফাইনালে যশোরকে ২-০ গোলে হারায় সিরাজগঞ্জ।

ফাইনাল উপলক্ষে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে হয় সংবাদ সম্মেলন। সেখানে ট্রফি জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দুই দলের প্রতিনিধিরা।

দিনাজপুর দলের কোচ শামিম আহমেদ বলেন, আমার লক্ষ্য ছিল শুধু সদর না, গ্রাম থেকেও খেলোয়াড় বাছাই করা এবং তাদের নিয়ে দল গঠন করা। আমরা সেই দল নিয়ে ফাইনালে উঠেছি। অবশ্যই সিরাজগঞ্জ আমাদের সামনে শক্ত প্রতিপক্ষ। তবে আমরা শিরোপা জিততে আশাবাদী।

এবার জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ আট পর্যন্ত খেলাগুলো হয়েছে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে। তাতে সুফল দেখেন দিনাজপুর কোচ, ‘এটি খুব ভাল দিক ছিল। স্বাগতিক হলে সুবিধা পাওয়া যায়। আবার অ্যাওয়ে গেলে চাপে পড়ে যাই। সেটা ওভারকাম করতে কী করতে হয়, তা আমরা শিখেছি। যাই হোক হোম অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলা হলে ভাল হয়।’

দিনাজপুর দলের অধিনায়ক মাসুদ রানা নিজ দলের শক্তি জানাতে গিয়ে বলেন, ‘টার্ফে খেলার অভিজ্ঞতা আছে আমাদের দলের। আর ফাইনাল হবে টার্ফে, এটা আমাদের এগিয়ে দেবে।’

শিরোপা ছাড়া ঘরে ফিরতে চায় না সিরাজগঞ্জও। দলের কোচ মাহবুব আলম পিয়াল বলেন, ‘৩৯ বছর পর এই প্রথম আমাদের জেলা ফাইনালে উঠেছে। আপনারা জানেন, যমুনাঘেষা জেলা আমরা। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে এসেছি। এখান থেকে শিরোপা হাতে ফিরতে চাই।’

অধিনায়ক মো. মিলন জানান, আমাদের টিমে অনেক জুনিয়র খেলোয়াড়। হোম-অ্যাওয়ে ম্যাচ ছিল, জানতাম চ্যালেঞ্জ থাকবে। এখন আমরা ফাইনালে খেলতে যাচ্ছি। সবার কাছে দোয়া প্রার্থী। ৮-১০টা বাস থেকে সমর্থকরা আসবে খেলা দেখার জন্য, সিরাজগঞ্জকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য।

টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী  হ্যাপি বলেন, ‘খেলাটার উদ্দেশ্য ছিল তৃনমূল থেকে খেলোয়াড় সংগ্রহ করা। সুপার সিক্সটিন থেকে এখনও পর্যন্ত ৪৩ জন ফুটবলার নজরে রেখেছি। কাল ফাইনাল, এখান থেকে হয়তো আরও কয়েকজন পাবো। এলিট অ্যাকাডেমির মাধ্যমে তাদের পরিচর্যা করবো। দেশের জন্য প্রস্তুত করবো।’

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin