বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিজ্ঞতা ও পরামর্শে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত ও নীতিগত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে টেকসই সমাধান চান শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমের গতিশীলতা ও পারস্পরিক কর্মসম্পর্ক জোরদার’ শীর্ষক এক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ওয়ার্কশপে তিনি এই সমাধান প্রত্যাশা করেন।
স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ওয়ার্কশপের আয়োজন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওয়ার্কশপে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রাররা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার সভাপতিত্ব করেন। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
ওয়ার্কশপে উচ্চশিক্ষার বর্তমান চ্যালেঞ্জ, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা, নীতিগত সমন্বয়, যোগাযোগ ঘাটতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবনী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কর্মশালায় বক্তারা বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও নিয়মিত যোগাযোগ স্থাপিত হলে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল, জবাবদিহিমূলক ও মানসম্মত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, ‘আজকের কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করছি। এই আলোচনা এখানেই শেষ নয়, এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আমরা কাঠামোগত ও নীতিগত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে টেকসই সমাধানের পথে এগিয়ে যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি কোথাও নীতিমালা বা আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে থাকে, তা দ্রুত যাচাই ও সংশোধনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা চাই, উচ্চশিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামো যেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।’
উপদেষ্টা জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির মধ্যে নিয়মিত যৌথ কনসালটেশন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়।
ওয়ার্কশপে উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ইউজিসি সদস্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।