ভোটে গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পরামর্শ ঢাবি উপাচার্যের

ভোটে গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পরামর্শ ঢাবি উপাচার্যের

ঢাকা: আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বাড়াতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  ড. নিয়াজ আহমদ।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এ সংলাপে এসে তিনি এমন পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচন এক রকম, সবার সহযোগিতায় হয়েছে। এটা শুনে মনে হতে পারে আমরা একটা পায়োনিয়ার ধারণা নিয়ে কাজ করেছি। সবাইকে একটু উপদেশ দেওয়ার পর্যায়ে এসেছি। এটা আসলে ভুল ধারণা। আমরা এক রকম যে যুদ্ধের ভেতর দিয়ে গেছি।

তিনি বলেন, প্রথমত ধরে নিতে হবে যে যারা নির্বাচনে হারবেন তারা অসন্তুষ্ট থাকবেন। শিষ্টাচার বলে কিছু থেকে থাকে সেটির ওপর ভরসা করা যাবে না। সেফগার্ড মেজার নিয়ে নামতে হবে। মানে আশপাশে যত মিডিয়া বা সিসি টিভি রাখা যায়। যত চোখ আশপাশে রাখা যায়। ধরে নিতে হবে এই ব্যাপারটি চ্যালেঞ্জিং হবে। আমরা সাংবাদিকদের পাশে পেয়েছি। তাদের সঙ্গে সব সময় কথা বলেছি। কখনো কখনো বিরক্তিকর কথাবার্তাও তাদের সঙ্গে হয়েছে। কিন্তু তাদের সাপোর্ট অমূল্য হয়েছে। তাদের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ব্যালট বক্স খেলা থেকে গোনা পর্যন্ত সাংবাদিকরা ছিলেন। আর আমরা প্রাসঙ্গিক অপ্রাসঙ্গিক সব কথা বলেছি। আর পর্যবেক্ষকরা আমাদের লাইফসেভিং ছিল। তারা যদি পুরো প্রক্রিয়া কাছ থেকে দেখেন, এটা আমাদের খুব কাজে লেগেছে। ডাকসু নির্বাচনে তাদের পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন অমূল্য। যতবেশি সংখ্যক সাংবাদিক বা ক্যামেরা বলেন, যত ভিজিবল রাখা যায়, প্রয়োজনে অতিরিক্ত। দ্বিতীয়ত হচ্ছে পর্যবেক্ষক। আমাকে ধরে নিতে হবে আমাকে চ্যালেঞ্জ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আইটির ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আইটি সাপোর্টেড যে কোনো জিনিস, আমাদের যেহেতু অবকাঠামোগত দুর্বলতা আছে, বারবার টেস্ট করা প্রয়োজন। আইটি সার্ভিসের ফেসভ্যালু আছে। অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে সমস্যা করলে সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যতায় প্রভাব ফেলবে। কাজ করলে উপকার করবে। আর যদি কাজ না তাহলে সমস্যা অনেক বেশি হবে। যাদের আইটি জ্ঞান আছে, এবং যাদের নেই; এটা নিয়ে মতপার্থক্য দেখা যায়। চূড়ান্ত বিচারে খুব ক্ষতি করে। তাই বারবার পরীক্ষা করার ব্যাপার আছে।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, অলরেডি আপনাদের কিছু সুনাম অর্জন হয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকার ব্যাপারে। আইটি সাপোর্টের পোস্টার ব্যালট এবং প্রত্যেকটা ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার নিয়ন্ত্রণ থাকবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভয়ানক রকম অন্যায় কথাবার্তা, হ্যাজারমেন্ট, বুলিং মোকাবিলায় আইন কানুন যাই আছে সাংঘাতিক দুর্বল। আইনের দুর্বলতা আছে। ফেসবুকে রিপোর্ট করলেই বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করা যায় না। সিলেকটিভলি করতে হয়। তাই ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করার বিষয় আছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও আমন্ত্রিতরা উপস্থিত ছিলেন।

ইইউডি/জেএইচ

 

Comments

0 total

Be the first to comment.

More from this User

View all posts by admin