‘কর্মের ফলে গ্যাঁড়াকলে’– এমন শিরোনামে প্রকাশ পেয়েছে ফ্ল্যাশ ফিকশন ‘গ্যাঁড়াকল’–এর পোস্টার। ধারণা করাই যায়, কর্ম ও তার ফল নিয়েই এর কাহিনি। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে তিনজনকে। যাদের মধ্যে কেন্দ্রে আছেন অভনেত্রী সামিরা খান মাহী। তার সঙ্গে বিশেষ ভঙ্গিতে ইন্তেখাব দিনার। আর তার দিকে তাকিয়ে আছেন আবু হুরায়রা তানভীর। কিছুটা আবেদন আর রহস্য মিশ্রণ রয়েছে পোস্টারটিতে।
১৪ অক্টোবর বিকালে প্রকাশ পেয়েছে ‘গ্যাঁড়াকল’–এর ট্রেলারও। সেখানে নানা দৃশ্য আর সংলাপে উঠে এসেছে, ক্যাম্পাস, জাস্টিস, ভালোবাসা, ভুল মানুষকে ভালোবাসার মতো বিষয়। ‘সত্য ততোটুকু সত্য নয়, যতটা চোখে দেখা যায়’– এমন একটি সংলাপ দিয়ে শুরু হয় ট্রেলারটি। এমন নানান কিছু নিয়ে এগিয়েছে ফ্ল্যাশ ফিকশনটি। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68ee46da90d1b" ) ); এটি নির্মাণ করেছেন নবীন নির্মাতা রাকায়েত রাব্বি। তিনি জানান, ‘গ্যাঁড়াকল’–এর গল্প তার আশেপাশের ঘটনা থেকেই নেয়া। গল্পটি খুব অন্যরকম এমন নয়, তবে পরিচিত গল্পকে একটু অন্যরকমভাবে পরিবেশনের চেষ্টা করেছেন তিনি।
নির্মাতা বলেন, ‘জীবনে তো কতো রকমের ঘটনা ঘটে। সেসব ঘটনার অনেক কিছুই বলা যায় না, প্রকাশ করা যায় না। কিন্তু এর প্রভাব রয়ে যায় সারা জীবন। এমনই একটি ঘটনার বর্ণনা রয়েছে এই গল্পে। শিক্ষা জীবন এবং পরবর্তী সময়ের কথা বলা হয়েছে এখানে। আশা করছি ভালো লাগবে দর্শকদের।’ jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68ee46da90d4f" ) ); মিস্ট্রি–থ্রিলার ঘরানার ‘গ্যাঁড়াকল’–এর গল্প এগিয়েছে রিমি, অনিক ও মোশতাক–কে ঘিরে। ছুটি কাটাতে রিমি আর অনিক ঘুরতে যায়। সেখানে গিয়ে পরিচয় হয় মোশতাক নামের এক চিত্রশিল্পীর। তারা একে–অপরের কাছে আসতে থাকেন। ভেঙে পড়তে শুরু করে রিমি–অনিকের সম্পর্ক। কিন্তু এই সম্পর্কগুলো কতোটুকু সত্য? চোখে যতটুকু দেখা যায়, তার সবই কি সত্যি? অথবা কে পড়ছে কার গ্যাড়াকলে?
জানতে দেখতে হবে ‘গ্যাঁড়াকল’। চরকিতে কনটেন্টটি মুক্তি পাবে ১৫ অক্টোবর রাত ১২টা ১ মিনিটে (১৬ অক্টোবর)। jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68ee46da90d7b" ) ); ‘গ্যাঁড়াকল’–এ রিমি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামিরা খান মাহি। অনিক ও মোশতাক চরিত্রে আছেন আবু হুরায়রা তানভীর এবং ইন্তেখাব দিনার। মোশতাকের স্ত্রী–এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুষমা সরকার। আছেন হুমায়রা স্নিগ্ধা, শিহাব ও সাদি শুভ। নাজিম উদ দৌলার গল্প ও সংলাপে এর চিত্রনাট্য করেছেন নির্মাতা।
সামিরা খান মাহি অভিনীত রিমি চরিত্রটির একাধিক ধরণ ও ঢং রয়েছে। কখনও তিনি সাধারণ কখনও একটু অসাধারণ। মাহি বলেন, ‘চরিত্রের প্রয়োজনে নানা রূপে পর্দায় আসতে হয়। নানা রূপে নিজেকে প্রস্তুত ও উপস্থাপন করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং আমার এটা করতে ভালো লাগে। আমার চরিত্রটি একটু রহস্যময়। কনটেন্টের বেশিরভাগ সময় আমাকে দেখা যাবে বেশ ফ্যাশনেবল লুকে, অল্প সময়ের জন্য আমি আবার অন্যরকম লুকে হাজির হবো। দর্শকরা প্রথমে চরিত্রটিকে ভুল বুঝলেও পরে কারণটা বুঝতে পারবেন।’ jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw68ee46da90da6" ) ); বলা দরকার, ফ্ল্যাশ ফিকশন মূলত জীবনের কিছু পুরনো মুহূর্তের নান্দনিক বা সিনেম্যাটিক বর্ণনা। এটাকে স্লাইস অব লাইফও বলা যেতে পারে। এ ধরনের কনটেন্টে জীবনের ছোট ছোট ঘটনা উঠে আসবে হয়তো, কিন্তু এর প্রভাব অনেক বড় এবং গভীর।