জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, জুলাই শহিদ ও আহতদের স্মৃতিকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় সনদকে অবশ্যই ‘জুলাই সনদ’ নামকরণ করতে হবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে শুরুতেই জুলাই সনদ নামেই আমরা আলোচনা শুরু করেছি। মাঝপথে এসে এর নামকরণ জাতীয় জুলাই সনদ হিসেবে নামকরণের প্রক্রিয়া চলছে। এটি আমরা মানবো না।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার বলেন, আমরা জুলাই সনদকে বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরোতে পরিণত করতে চাই না। এ ব্যাপারে সব রাজনৈতিক দলের সুদৃঢ় ঐক্য জরুরি। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে উৎসব হওয়ার কথা বলেছেন। তবে আমরা মনে করি, সংস্কার বাস্তবায়ন করা ছাড়া মহৌৎসবের নির্বাচন সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, কোনোভাবেই যেন ফ্যাসিবাদী কাঠামো বা ফ্যাসিবাদের উত্থান না হয়। জুলাই সনদের সাংবিধানিক বিষয়গুলো যেন টেকসইভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের আন্তরিকতা প্রয়োজন।
জুলাই সনদের যেসব বিষয় সরকার বাস্তবায়ন করা শুরু করেছে, তা যেন সঠিকভাবে হয়। এ সরকারের সময়েই যেন তা দ্রুত বাস্তবায়ন হয়—আমরা সে দাবি করছি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা এতো দিন পর আশাহত হতে চাই না। আমাদের প্রত্যাশা যেন এটি একটি পরিণতি পায়। এ বিষয়ে প্রয়োজনে কমিশনের সময় আরও বৃদ্ধি করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি জানিয়েছি। আশা করি সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া সাংবিধানিক বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারলে বা ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ করার মতো একটি অনিশ্চয়তা রেখে দিলে, টেকসইভাবে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন হবে না। এ ব্যাপারে তিনি সব দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন ও সারোয়ার তুষার।