আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন হলো ১১ অক্টোবর। বিশ্বজুড়ে লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে জাতিসংঘ ২০১২ সালে তার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য প্রতিবছর এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস হিসাবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার পর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কালকে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু সপ্তাহ পালন করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো, “আমি যে মেয়ে, আমি যে পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছি; সংকটের সম্মুখ সারিতেও যে আমরাই।“
অন্যদিকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল জাতীয় কন্যা শিশু দিবস। ২০০৩ সালে কন্যা শিশুদের সুরক্ষা এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে ৩০ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “ আমি কন্যা শিশু, স্বপ্নে গড়ি, সাহসে লড়ি, দেশের কল্যাণে কাজ করি।“
দেশের খুব সীমিত সংখ্যক মানুষ এই দিবস কিংবা দিবস দুটি সম্পর্কে জানেন। আবার কেউ কেউ জাতীয় কন্যা শিশু দিবস এবং জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবসের মধ্যে গোল পাকিয়ে ফেলেন। অন্যদিকে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিশু দিবস হিসাবে পালিত হয়ে থাকে। এ বছর আবার মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরকারিভাবে জাতীয় কন্যা শিশু দিবসের কর্মসূচি পালন করছে ৮ অক্টোবর। তারিখগুলো যেহেতু কাছাকাছি তাই মানুষের কাছে একটু গোল পাকানো অস্বাভাবিক কিছু নয়।
প্রতি বছর দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন অন্যজনের পোস্টের নিচে মন্তব্য করছেন, জানতে চাচ্ছেন কন্যা শিশু দিবস আসলে কবে, ৩০ সেপ্টেম্বর না ১১ অক্টোবর? উত্তর তো আগেই দিয়েছি। তবে এই উত্তর শুধুমাত্র বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কারণ আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস ১১ অক্টোবর পালন করা হয়।
ভারতে ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ জানুয়ারি জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়ে আসছে। তাদের নিশ্চয় জাতীয় কন্যা শিশু দিবসের বছরভেদে আলাদা শ্লোগান নির্ধারিত হয়ে থাকে। যদিও এই লেখার উদ্দেশ্য উপরোক্ত তথ্য পরিবেশন নয়।
আমারও প্রশ্ন হলো, এই যে কন্যা শিশুদের জন্য আমরা প্রায় গোটা একটা পক্ষ বরাদ্দ রেখেছি, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে। কিন্তু সেটা কি দেশের সব কন্যা শিশুরা জানে? ধরে নিলাম, অধিকাংশ কন্যা শিশুরা বছরে একটি দিনের জন্য হলেও জানতে পারে আজ জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। কিন্তু এই দিবসের প্রতিপাদ্য কী, সেই প্রতিপাদ্যের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য কী, এই দিবস কোথা থেকে এলো, কোন প্রেক্ষাপটে এলো সেগুলো কি তাদের কাছে আমরা পরিষ্কার করতে পেরেছি কিংবা আমরা নিজেরাও কি পরিষ্কার ধারণা রাখি? এই প্রশ্ন তোলাটা জরুরি, নইলে আর দশটি দিবস উদযাপনের মতো এই দুইটি দিন বা কন্যা শিশু সপ্তাহ উদযাপন কিংবা পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে যাবে, উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর কোনও ভূমিকা রাখতে পারবে না। ২০২১ সালে জাতীয় কন্যা শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল, “ আমরা কন্যা শিশু-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো।“
২০২৪ সালে দিনটির প্রতিপাদ্য ছিল, “কন্যা শিশুর স্বপ্নে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ।“ আমরা যদি ২০২১ সালের প্রতিপাদ্য নিয়ে কথা বলি, তাহলে এখানে কন্যা শিশুদের স্বমূর্তিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করার কথা কিন্তু ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই যদি জরিপ চালানো হতো, তাহলে দেশের কতজন কন্যা শিশু এই প্রতিপাদ্য বলতে পারতো, সেটা আমরা যারা কন্যা শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করি, তারা সকলেই অনুমান করতে পারি। তবে সেটা না বলতে পারার মধ্যে দোষের কিছু নেই কিন্তু এই শ্লোগান এবং শ্লোগানগুলোর বক্তব্য আসলে কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই প্রশ্ন তো অবশ্যই তোলা জরুরি।
২০২৪ সালের প্রতিপাদ্য নিয়েই যদি কথা বলি, তাহলে দেখি বলা হয়েছে আগামীর বাংলাদেশ হবে কন্যা শিশুদের স্বপ্নের ভিত্তিতে। কী তাদের স্বপ্ন? আমরা কি কখনও আদৌ জানতে চেয়েছি? কখনও কি জানতে চেয়েছে সমাজ কিংবা যেখানে তাদের জন্ম, যেখানে তারা বেড়ে উঠছে সেই পরিবার?
এ বছরের জাতীয় কন্যা শিশু দিবসের শ্লোগানটা কতটা অর্থপূর্ণ, কতটা প্রত্যয়দীপ্ত। কন্যা শিশুরা নিজেরাই সাহসের সাথে লড়াই করে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে। একইভাবে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবসের স্লোগানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যেখানে কন্যা শিশুরা ঘোষণা দিচ্ছে আমি কন্যা, আমিই পরবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছি এবং সংকটের সম্মুখসারিতে আমরা। এখন কমলকুমার মজুমদারের কথা ধার করে বলতে হচ্ছে, দেশের কন্যা শিশুদের জন্য যে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে এমন প্রত্যয়দীপ্ত শ্লোগান নির্ধারিত হয়েছে কিংবা পূর্বের বছরগুলোতে হয়েছিল, সেইটাও কি তারা জানে? তাদের সাথে কি কোনও আলোচনা হয়েছিল কিংবা এই স্লোগানের ব্যাখ্যাও কি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে বৃহৎ পরিসরে?
সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাইরে বাংলাদেশে নারীর অধিকার, শিশু অধিকার, কন্যা শিশুদের অধিকার নিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন কাজ করে আসছে। কিন্তু সেইসব কাজ নিয়ে নানারকম নেতিবাচক কথাবার্তা সমাজে প্রচলিত রয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো, এইসব উদ্যোগে আসলে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এই অভিযোগও যে একেবারেই অমূলক সেটাও জোর দিয়ে বলা যাবে না। বিশেষ করে বাল্য বিয়ে বন্ধের ক্ষেত্রে তো বটেই। নইলে দেশের উপরিকাঠামোতে যখন এত উন্নতি তখন দেশে বাল্য বিয়ের হার ৫১ শতাংশ ভাবা যায়?
এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই বিশ্বের বৃহত্তর বেসরকারি সংগঠন ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে কন্যা শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে শুরু করেছে ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল বাল্য বিয়ে বন্ধ করা এবং সেজন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। সেজন্য গ্রামভিত্তিক ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ২৫ জন করে স্বপ্নসারথি দল গঠন করে তাদের সাথে প্রতিমাসে জীবনদক্ষতা বিষয়ক সেশন পরিচালনা করে আসছে। কীভাবে স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখতে হয়, কীভাবে মনের যত্ন নিতে হয়, কীভাবে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, কীভাবে কার্যকরভাবে না বলতে শিখতে হয়। কিন্তু বাল্য বিয়ের ক্ষেত্রে কিশোরীদের ভূমিকা যেহেতু গৌণ, অর্থাৎ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা যেহেতু কম তাই যারা পরিবারে, সমাজে প্রভাবক হিসাবে কাজ করেন একাধিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদেরকে যুক্ত করা হয়েছিল এই কর্মসূচিতে, যুক্ত করা হয়েছিল স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনকেও।
এই কর্মসূচি কতটুকু ফলপ্রসূ হলো, সেইটা মূল্যায়নের সময় এখনও পেরিয়ে যায়নি। কিন্তু কাজটি করতে গিয়ে কর্মসূচির সাথে যুক্ত মানুষেরা যেটা উপলব্ধি করেছেন, সেইটা হলো, বাল্য বিয়ে বন্ধ করা একটা দৃঢ় সংকল্প বটে কিন্তু কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হবে কিশোরীদেরকে স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করা, তাদের স্বপ্নের কথা প্রকাশে সহায়তা করা এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানের জন্য সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা। বেসরকারি কর্মসূচি বা প্রকল্পের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। ব্র্যাকও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে যে কর্মসূচির কথা আমি এখানে উল্লেখ করেছি, সেই কর্মসূচিতে ব্র্যাক দেশের ৩৩ টি জেলার ২৬৮ টি উপজেলার প্রায় ৭০ হাজার কিশোরীকে নিয়ে কাজ করছে। এই ৭০ হাজার কিশোরীর মধ্যে কত শতাংশের বাল্য বিয়ে হয়েছে সেটা যদি আমরা জাতীয় হারের সাথে তুলনা করি তাহলে হয়তো কর্মসূচির সাথে যুক্ত মানুষদের আত্মতৃপ্তির কিছুটা হলেও অবকাশ রয়েছে। কিন্তু অধিকার, মানবাধিকারের প্রশ্নে পরিসংখ্যান দিয়ে পরিমাপ না করাই শ্রেয়।
কারণ এই কর্মসূচি মনে করে একটি কন্যা শিশুর বাল্য বিয়েও শিশুর অধিকার লঙ্ঘন। ব্র্যাক স্বপ্ন দেখে এই দেশের একটি কন্যা শিশুরও বাল্য বিয়ে হবে না। সেখানে এই কর্মসূচির অধিভুক্ত জেলা, উপজেলা এবং বিশেষ করে গ্রামগুলি হবে মডেল। সেই স্বপ্নের সাথে সামাজিক ক্ষমতায়নও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি যুক্ত করেছে লক্ষ্যিত কিশোরীদেরকে। ১৮ এর আগে বিয়ে নয়, এটা হলো সংকল্প। কিন্তু স্বপ্ন হবে আকাশ ছোঁয়া। তাই আঠার পেরোনো কিশোরীদের নিয়ে ২০২৪ সালে যে গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি ব্র্যাক আয়োজন করেছিল, সেই আয়োজনের শ্লোগান ছিল “ পার করেছি আঠারো, পেরিয়ে যাব পাহাড়ও।“ আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্মান শেষ করলেই, তাদেরকে নিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়, গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি হয়। কিন্তু ব্র্যাক যে কিশোরীদের সাথে কাজ করে, তাদের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় তারা যে বাল্যবিয়ের শিকার না হয়ে ১৮ বছর পার করতে পেরেছে সেটাই তাদের জন্য একটা বড় অর্জন। সেই অর্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি থেকে তাদেরকে উৎসাহিত করা হয়, যাতে তারা তাদের স্বপ্নপূরণের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে।
২০২৪ সালের শ্লোগানকে ধারণ করেই এবারের গ্রাজুয়েশন সিরিমনি অনুষ্ঠানগুলো করার ক্ষেত্রে ভেন্যু হিসাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে উপজেলা এবং জেলা প্রশাসনের হলরুমগুলোকে যেখানে অতিথি হিসাবে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সমাজসেবা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদেরকে আহবান জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হলো, যেসকল মেয়ে বিসিএস ক্যাডার হতে চায়, সরকারি কর্মকর্তা হতে চায়, তারা তার জেলার, উপজেলার সর্বোচ্চ সরকারি কর্মকর্তাকে চাক্ষুস দর্শন করবে, তার সামনে কথা বলবে, তার কথা শুনবে। অন্যদিকে যে মেয়েরা লেখাপড়ার পাশাপাশি উপার্জনমূলক কাজের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করতে চায়, সেই সেবা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে সরাসরি জানবেন। এখন এই সত্তর হাজার কিশোরী তাদের স্বপ্নের কথা বলতে পারে।
তাদের স্বপ্নের ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তন, যারা আগে শুধুমাত্র শিক্ষক, নার্স কিংবা সরকারি চাকরিজীবী হতে চাইত, তারা এখন যোগদান করতে চায় সেনাবাহিনীতে। তারা হতে চায় আইনজীবী, হতে চায় বিচারক, হতে চায় পুলিশ কর্মকর্তা এমনকি কেউ কেউ হতে চায় ব্যবসায়ী। চলতি বছরের আগস্ট মাসে কর্ম এলাকার যেসব কিশোরীরা আইন পেশায় আসতে চায়, বিচারক হতে চায় কর্মসূচির মাধ্যমে তাদেরকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম নিজে থেকে ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। কর্মসূচির সাথে যুক্ত মানুষেরা তো বটেই, কিশোরীরা তাদের অভিভাবকেরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, এই কিশোরীরা স্বপ্নপূরণের পথে অনেকটা এগিয়ে গেছে, তাদের সংকল্প আরও দৃঢ় হয়েছে।
সবাইকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, জজ, ব্যারিস্টার, বিসিএস ক্যাডার হতে হবে এমন নয়; কেউ হবে ক্যারাতে মাস্টার, কেউ হবে বিউটিশিয়ান, আবার কেউ হতে চায় চিত্রশিল্পী, কেউ কণ্ঠশিল্পী। কর্মসূচি থেকে তাদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, পথ দেখানো হচ্ছে, সংযোগ ঘটিয়ে দেওয়া হচ্ছে যাতে স্বপ্নপূরণের পথে হাঁটতে গিয়ে বিয়ের কথা তারা এবং তাদের পরিবার ভুলে যায়। এখানেই কর্মসূচিটি অনন্য। যেখানে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস শুধুমাত্র শ্লোগান এবং উদযাপনের মধ্যে আটকে আছে, সেখানে সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি এবং এর সাথে যুক্ত স্বপ্নসারথি কিশোরীরা সেইসব শ্লোগানকে বাস্তবে রূপদানের পথে হেঁটে চলেছে প্রতিদিন।
লেখক: উন্নয়নকর্মী